
রাজ্য়ে সরকার বদলের পর ইমপা-র সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তর পদত্যাগ ঘিরে তীব্র জটিলতা তৈরি হয়েছিল। ইমপা-র সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তর পদত্যাগ দাবি করেছিলেন কিছু সদস্য। তাঁরা ইমপা পৌঁছে যান প্রতিবাদ জানিয়ে নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে। ইমপা-র কাজের বিরুদ্ধে বৌবাজার থানায় হয়েছে মামলা। দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ইত্যাদির অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে পিয়া সেনগুপ্ত ইমপা-তে ঢুকে ঝামেলা করার কারণে, কিছু সদস্যদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছিলেন।
খবর হলো, অবশেষে নাকি ইমপা-তে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন পিয়া। তবে এই ব্যাপারে মুখ খুলতে নারাজ তিনি। টিভি নাইন বাংলার তরফে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, উত্তর মেলেনি। এদিকে ১৩ জুলাই ইমপা-তে একটি সাংবাদিক বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, শেষ দু’ মাস ধরে ইমপা-র কাজ প্রায় বন্ধ! ইমপা-র প্রেসিডেন্ট মানে পিয়া সেনগুপ্ত, সঙ্গে দুই সহ-সভাপতি, আর আটজন কমিটির সদস্য পদত্যাগ করেছেন। বাকি কমিটির সদস্যরা নাকি প্রায় দু’ মাস ধরে অফিসে আসছেন না। ইমপা সংক্রান্ত মিটিং, ইমপা-র বাইরে সংগঠিত করেছেন কিছুজন, এমন অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে ইমপা তার কাজ চালাবে আগামী দিনে, কবে হবে ইমপা-র পরবর্তী নির্বাচন, তা দেখার অপেক্ষা। কারণ পিয়া সেনগুপ্তর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর, নতুন সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার আগে পর্যন্ত, কাজ চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন রতন সাহা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানালেন, ”পিয়া সেনগুপ্ত প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই পদত্য়াগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। প্রেসিডেন্টের ঘর এখন তালা বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। ইমপা সংক্রান্ত বেশ কিছু আইনি জটিলতা রয়েছে। নির্বাচনের মাধ্যমে কবে নতুন কমিটি গঠন হবে, তা দেখার অপেক্ষা।”