
রবিবার দুপুরে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে পৌঁছে গেলেন অভিনেতা প্রসেনজিত্ চট্টোপাধ্যায়। সিপিআই (এম) রাজ্য দফতরে বিমান বসুর সঙ্গে দেখা হয় অভিনেতার। প্রসেনজিতের সঙ্গে পৌঁছে যান সৌরভ পালোধী। প্রসেনজিত্ যখন যান, সেখানে উপস্থিত ছিলেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়।
কী কারণে প্রসেনজিতের এই সৌজন্য সাক্ষাত্? টিভি নাইন বাংলাকে প্রসেনজিতের তরফেই জানানো হয়, প্রসেনজিতের প্রযোজনায় ২৬ জুন মুক্তি পাবে ‘অনেকদিন পর’ ছবিটি। এই ছবির পরিচালক সৌরভ পালোধী। তাই সৌরভের সঙ্গেই প্রযোজক প্রসেনজিত্ এদিন পৌঁছে গিয়েছিলেন আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে। ছবিটি দেখার জন্য বিমান বসুকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন অভিনেতা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদেরই আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে, যাঁরা সিনেমা-নাটক দেখতে পছন্দ করেন। শমীক ভট্টাচার্য, স্বপন দাশগুপ্তর মতো ব্যক্তিত্বদের ছবিটি দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে যোগাযোগ করা হচ্ছে, তেমনই জানা গেল।
লক্ষণীয় ‘দোস্তজী’ ছবির নিবেদক ছিলেন প্রসেনজিত্। সেই সময়ে টলিপাড়ার বিশিষ্ট অভিনেতাদের তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ছবিটি দেখার জন্য। রাধা স্টুডিয়োতে হয়েছিল বিশেষ স্ক্রিনিং। এই স্ক্রিনিংয়ে প্রসেনজিতের ডাকে পৌঁছে গিয়েছিলেন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী।
এই মুহূর্তে প্রসেনজিত্ অভিনীত ‘অভিমান’ মুক্তি পেয়েছে। আবার সেই ছবি মুক্তির এক সপ্তাহের মধ্যে প্রযোজক প্রসেনজিত্ নিয়ে আসছেন ‘অনেকদিন পর’ ছবিটি। সৌরভ পরিচালিত ‘অঙ্ক কি কঠিন’ ছবিটি দেখতে গিয়েছিলেন প্রসেনজিত্। তারপরই তিনি সৌরভের সঙ্গে পরবর্তী ছবি করার সিদ্ধান্ত নেন। ছবিতে অভিনয় করেননি প্রসেনজিত্। তবে প্রযোজক হিসাবে এই ছবিকে বেশি সংখ্যক দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে চান। যে কারণে চূড়ান্ত ব্যস্ততার মধ্যেও সময় বের করে, বিমান বসুকে আমন্ত্রণ জানাতে রবিবার পৌঁছে গিয়েছিলেন আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে।