প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে এল নীতেশ তিওয়ারির ‘রামায়ণ’-এ শ্রীরাম রূপে রণবীর কাপুরের প্রথম ঝলক। ভারতের আগে লস অ্যাঞ্জেলেসের আইম্যাক্স (IMAX) স্ক্রিনিংয়ে প্রথমবার দেখানো হয় এই টিজার। কোনও সংলাপ ছাড়াই শুধুমাত্র ভিজ্যুয়াল ম্যাজিক এবং রাজকীয় আবহে মোড়া এই টিজারটি দর্শকদের মধ্যে যেমন বিস্ময় জাগিয়েছে, তেমনই তৈরি করেছে কৌতূহল। বিশাল ক্যানভাসে এই মহাকাব্য ঠিক কতটা সার্থক হবে, তা নিয়ে এখন তুঙ্গে জল্পনা।
‘দঙ্গল’ ও ‘ছিঁছোড়ে’ খ্যাত পরিচালক নীতেশ তিওয়ারি এই স্বপ্নের প্রজেক্টটির পেছনে দীর্ঘ সাত বছর ব্যয় করেছেন। মুম্বইয়ে ভক্তদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, চিত্রনাট্য তৈরি থেকে শুরু করে গবেষণার কাজে তিনি কোনও খামতি রাখেননি। মহাকাব্যের প্রতিটি আবেগকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে একাধিকবার ড্রাফট বদলানো হয়েছে এবং সাংস্কৃতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। হলিউড ঘরানার প্রি-ভিজ্যুয়ালাইজেশন পদ্ধতির মাধ্যমে ছবির প্রতিটি অ্যাকশন দৃশ্য আগেভাগেই ছক কষে নেওয়া হয়েছিল।
প্রযোজক নমীত মলহোত্রার হাত ধরে এই ছবি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম ব্যয়বহুল সিনেমা হতে চলেছে। ছবিটির বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ৪০০০ কোটি টাকা। দুই খণ্ডে মুক্তি পাবে এই সিনেমা। যার প্রথম খণ্ডের শুটিং ইতিধ্যেই শেষ এবং বর্তমানে গ্রাফিক্স বা ভিএফএক্সের কাজ চলছে। দ্বিতীয় খণ্ডের শুটিংও শুরু হয়ে গিয়েছে পুরোদমে। সবথেকে বড় চমক ছবির আবহ সঙ্গীতে অস্কারজয়ী এ.আর. রহমান এবং বিশ্বখ্যাত হ্যান্স জিমারের যুগলবন্দি এই ছবিকে এক আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে দিয়েছে।
সিনেমাটি দুই ভাগে মুক্তি পাবে, যাদের মধ্যে সময়ের ব্যবধান থাকবে মাত্র এক বছর। ৪০০০ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি এই ছবি ভারতের সবচেয়ে দামি সিনেমাগুলোর তালিকায় শীর্ষে। সম্পূর্ণ ছবিটি আইম্যাক্স ফরম্যাটের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা দর্শকদের এক নিমগ্ন অভিজ্ঞতার স্বাদ দেবে। হলিউডের ফ্যান্টাসি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিতে আনা হয়েছে আন্তর্জাতিক স্টান্ট টিম। লার্জ স্কেল সেট পিস এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ছবির প্রতিটি ফ্রেমকে রাজকীয় করে তুলেছে।
রণবীর কাপুর এই নতুন অবতারে দেখে মুগ্ধ হয়েছেন তাঁর অনুরাগীরা। ‘আদিপুরুষ’-এর ব্যর্থতার পর নীতেশ তিওয়ারির এই ‘রামায়ণ’ দর্শকদের আক্ষেপ মেটাতে পারে কি না, এখন বক্স অফিসের সেই লড়াই দেখার অপেক্ষায় গোটা বিশ্ব।
প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে এল নীতেশ তিওয়ারির ‘রামায়ণ’-এ শ্রীরাম রূপে রণবীর কাপুরের প্রথম ঝলক। ভারতের আগে লস অ্যাঞ্জেলেসের আইম্যাক্স (IMAX) স্ক্রিনিংয়ে প্রথমবার দেখানো হয় এই টিজার। কোনও সংলাপ ছাড়াই শুধুমাত্র ভিজ্যুয়াল ম্যাজিক এবং রাজকীয় আবহে মোড়া এই টিজারটি দর্শকদের মধ্যে যেমন বিস্ময় জাগিয়েছে, তেমনই তৈরি করেছে কৌতূহল। বিশাল ক্যানভাসে এই মহাকাব্য ঠিক কতটা সার্থক হবে, তা নিয়ে এখন তুঙ্গে জল্পনা।
‘দঙ্গল’ ও ‘ছিঁছোড়ে’ খ্যাত পরিচালক নীতেশ তিওয়ারি এই স্বপ্নের প্রজেক্টটির পেছনে দীর্ঘ সাত বছর ব্যয় করেছেন। মুম্বইয়ে ভক্তদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, চিত্রনাট্য তৈরি থেকে শুরু করে গবেষণার কাজে তিনি কোনও খামতি রাখেননি। মহাকাব্যের প্রতিটি আবেগকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে একাধিকবার ড্রাফট বদলানো হয়েছে এবং সাংস্কৃতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। হলিউড ঘরানার প্রি-ভিজ্যুয়ালাইজেশন পদ্ধতির মাধ্যমে ছবির প্রতিটি অ্যাকশন দৃশ্য আগেভাগেই ছক কষে নেওয়া হয়েছিল।
প্রযোজক নমীত মলহোত্রার হাত ধরে এই ছবি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম ব্যয়বহুল সিনেমা হতে চলেছে। ছবিটির বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ৪০০০ কোটি টাকা। দুই খণ্ডে মুক্তি পাবে এই সিনেমা। যার প্রথম খণ্ডের শুটিং ইতিধ্যেই শেষ এবং বর্তমানে গ্রাফিক্স বা ভিএফএক্সের কাজ চলছে। দ্বিতীয় খণ্ডের শুটিংও শুরু হয়ে গিয়েছে পুরোদমে। সবথেকে বড় চমক ছবির আবহ সঙ্গীতে অস্কারজয়ী এ.আর. রহমান এবং বিশ্বখ্যাত হ্যান্স জিমারের যুগলবন্দি এই ছবিকে এক আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে দিয়েছে।
সিনেমাটি দুই ভাগে মুক্তি পাবে, যাদের মধ্যে সময়ের ব্যবধান থাকবে মাত্র এক বছর। ৪০০০ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি এই ছবি ভারতের সবচেয়ে দামি সিনেমাগুলোর তালিকায় শীর্ষে। সম্পূর্ণ ছবিটি আইম্যাক্স ফরম্যাটের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা দর্শকদের এক নিমগ্ন অভিজ্ঞতার স্বাদ দেবে। হলিউডের ফ্যান্টাসি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিতে আনা হয়েছে আন্তর্জাতিক স্টান্ট টিম। লার্জ স্কেল সেট পিস এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ছবির প্রতিটি ফ্রেমকে রাজকীয় করে তুলেছে।
রণবীর কাপুর এই নতুন অবতারে দেখে মুগ্ধ হয়েছেন তাঁর অনুরাগীরা। ‘আদিপুরুষ’-এর ব্যর্থতার পর নীতেশ তিওয়ারির এই ‘রামায়ণ’ দর্শকদের আক্ষেপ মেটাতে পারে কি না, এখন বক্স অফিসের সেই লড়াই দেখার অপেক্ষায় গোটা বিশ্ব।