
রাজনীতির মঞ্চে কাঞ্চন-রুদ্রনীল বিরোধী হলেও, সিনেমার সূত্র ধরে তাঁদের বন্ধুত্ব একেবারে গলায় গলায়। অবশ্য এই মুহূর্তে কাঞ্চন রাজনীতি থেকে দূরে থেকে সিনেমা ও পরিবারে মন দেওয়ার সংকল্প করেছেন। তবে কাঞ্চন ফের বাবা হয়েছে শুনেই বেশ খুশি রুদ্রনীল ঘোষ। আর খুশিকে ডবল করতে কাঞ্চনের বাবা হওয়ার খবর পেয়েই নিজের বিয়ের ডেডলাইন ঠিক করে ফেললেন বিজেপি বিধায়ক তথা অভিনেতা রুদ্র।
কী বললেন তিনি?
Tv9Bangla-কে রুদ্রনীল বললেন, ”অত্যন্ত আনন্দের খবর। মা যেন ভালো থাকে, তার শরীর যেন ভালো থাকে- এটা আমাদের সবারই কামনা থাকে। যদি কেউ সন্তানের মা হন- তখন তার ঝুঁকিটা তো বেশি থাকে। আর বাবা হিসেবে কাঞ্চনের উপর চাপ বাড়ল। আমরা অনেকেই উপর থেকে কাঞ্চনকে যেহেতু তাঁর মজার অভিনয় দিয়ে বিচার করি- সে তো আসলে তেমনটা নয়। ওটা তার অভিনয়ের ধরন। ব্যক্তি মানুষ হিসেবে সে কিন্তু যথেষ্ট রকম সিরিয়াস। বিভিন্ন জায়গায় আমরা দেখতে পেয়েছি। তো যাই হোক, বাবা মা দুজনেই সুস্থ থাকুক এবং তাদের সন্তানদের সুস্থ করে বড় করুক এই নতুন পশ্চিমবঙ্গে। এই শুভেচ্ছা রইল।
যখনই টলিউডে কারও বিয়ে হয়, তখনই অনুরাগীরা রুদ্রকে ছেঁকে ধরেন, তাঁর বিয়ের খবর নিতে। কিন্তু রুদ্রনীল, নানা টালবাহানায় বিয়ের বিষয়টিকে বাইপাস করে যান। কাঞ্চন ফের বাবা হতেই তাই রুদ্রকে সোজা প্রশ্ন, আপনার বিয়ে কবে? টিভি নাইন বাংলাকে রুদ্রর সোজা জবাব, ”আমি কাঞ্চনের প্রথম সন্তানের পাকা দেখা হবার পরেই বিয়েটা করে নেব। কথা দিচ্ছি।”
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে জন্ম হয়েছিল কাঞ্চন-শ্রীময়ী প্রথম সন্তান কন্যা কৃষভির। সেই সময়ও আগে থেকে সন্তান আসার কথা ঘোষণা করেননি কাঞ্চন-শ্রীময়ী। এবারও সেই পথেই হাঁটলেন। ২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রেম দিবসের দিনই সই বিয়ে সারেন কাঞ্চন-শ্রীময়ীর। তারপর মার্চ মাসে আনুষ্ঠানিক বিয়ে হয় দু’ জনের। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সবুজ শিবিরে প্রার্থী হননি কাঞ্চন। বলেছিলেন এবার পুরোটা সময় দেবেন পরিবার ও অভিনয়কে। এবার অভিনেতার পরিবার আরও একটু বড় হচ্ছে।