
সইফ আলি খানের উপর হামলা মামলায় ঘটনার , ২৯ জানুয়ারি বান্দ্রা আদালতে পেশ করা হয় সইফের হামলায় গ্রেফতার হওয়া শরিফুল ফকিরকে। ১০ দিন ধরে পুলিশি হেফাজতে থাকার পর, এদিন পুলিশ বান্দ্রা আদালতে শরিফুলের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করে। মুম্বই পুলিশের এই আবেদন খারিজ করে বান্দ্রা আদালত। বুধবার, অভিযুক্তকে আদালতে তুলে মুম্বই পুলিশ ফের তাঁকে হেফাজতে চায় তদন্তের স্বার্থে। পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানো অপ্রয়োজনীও বলে, বান্দ্রা আদালতের বিচারক শরিফুলকে ১৪ দিন বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।
১৫ জানুয়ারি, বুধবার মধ্যরাতে নিজের বাড়িতেই আক্রান্ত হন সইফ আলি খান। তাঁর উপর আক্রমণ করেন এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি। ছুরি দিয়ে বলিউড তারকার উপর আঘাত করেন সেই ব্যক্তি। লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সইফ আলি খানকে। ৫ ঘণ্টা ধরে অস্ত্রোপচার চলে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন সইফ।
শনিবার পুলিশের কাছে বয়ান রেকর্ড করার সময় সেই রাতের ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন সইফপত্নী করিনা কাপুর খান। অভিনেত্রী বলেন, “আক্রমণকারী মারাত্মক হিংস্র। নৃশংসভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সইফের উপরে। এলোপাথাড়ি কোপাচ্ছিল।” করিনা আরও জানিয়েছেন, তাঁরা সবাই এখনও খুবই দুশ্চিন্তায়। ছোট ছেলে জেহের চোখে মুখে এখনও আতঙ্কের ছাপ রয়েছে।
সইফের উপর হামলার ঘটনায় নদিয়া থেকে গ্রেফতার হয়েছে এক মহিলা। পুলিশ সূত্রে খবর, এই মহিলার সাহায্যেই ভারতে পা রেখেছিলেন সইফের উপর হামলাকারী শরিফুল।