
৩০ অগস্ট ঘটা করে শুরু হয়েছে ‘বিগ বস বাংলা’। আর শো শুরু হওয়ার পর থেকেই নেটপাড়ায় জোর জল্পনা চলছিল—ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রিতে শোয়ে পা রাখতে চলেছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর স্যান্ডি সাহা। তবে সেই সমস্ত চর্চা ও জল্পনায় এবার একেবারেই ইতি টানল খোদ ‘বিগ বস’ কর্তৃপক্ষ।
বিগ বসের ঘনিষ্ঠ সূত্র মারফত পাওয়া খবর অনুযায়ী, স্যান্ডি সাহাকে ঘিরে যত চর্চাই হোক না কেন, এ বারের মরসুমে তাঁকে আর যাই হোক, ‘বিগ বস’-এর ঘরে দেখতে পাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। কারণ, আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাঁর সঙ্গে কোনও যোগাযোগই করা হয়নি! তবে বিগ বসের ঘরে নিয়মে রোজই হচ্ছে বদল। ভবিষ্যতে স্যান্ডির সম্ভাবনা রয়েছে কিনা, তা কিন্তু এখনও স্পষ্ট নয়। হয়তো বিগ বসের অন্দরের খেলার মতো এই খেলাও বদলাতে পারে।
এর আগেও এ বিষয়ে স্যান্ডি সাহার প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি স্পষ্টই জানিয়েছিলেন, এসব খবর একেবারেই ভিত্তিহীন ও রটনা ছাড়া কিছুই নয়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিনিয়ত তাঁর এন্ট্রি নিয়ে নানা গুঞ্জন ভেসে বাড়াচ্ছিল। অবশেষে বিগ বস কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে পাওয়া এই খবরে এটা পরিষ্কার যে, সব গুঞ্জনকে পেছনে ফেলে স্যান্ডি সাহাকে ছাড়াই এগোবে এ বারের রিয়্যালিটি শোর লড়াই।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই সায়কের দলকে ‘চাঙ্গি মুঙ্গি’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন রাজবীর। সে কথা শুনে তীব্র রেগে গিয়ে সায়ক আগুনঝরা মেজাজে তুলকালাম কান্ড বাঁধিয়েছিলেন। কিন্তু সেই তিক্ততা ভুলে রাতারাতি এমন নৈকট্য দেখে হতবাক অন্য প্রতিযোগীরাও।
নেটপাড়ায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অনুগামীদের একাংশের মতে, বিগ বসের ঘরে টিকে থাকতে এটি সায়কের নতুন স্ট্র্যাটেজি হতে পারে। রাজবীরের জনপ্রিয়তা আর গেমপ্ল্যান দেখে তিনি হয়তো নিজের খেলার ছক বদলে তাঁর দিকেই হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তবে এটি ঝগড়ার পর সত্যি কোনও মধুর মিলন নাকি নেহাতই গেমের নতুন চাল, তা আগামী পর্বগুলোর দিকে চোখ রাখলেই পরিষ্কার বোঝা যাবে। আপাতত, রাজবীর নিয়ে যে বেশ তটস্থ বিগ বাংলার ঘর, তা কিন্তু বেশ স্পষ্ট।