
তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ হওয়ার পর সায়নী ঘোষ সাজগোজ বদলে ফেলেছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো সাদা শাড়ি, পায়ে চটিতে দেখা যেত তাঁকে। তবে এই মুহূর্তে তিনি বিক্ষুব্ধ সাংসদদের দলে। সবুজ শিবির থেকে দূরত্ব বাড়িয়ে নিয়েছেন। কেন এই সিদ্ধান্ত, তা জানার জন্য বারংবার সায়নীর সঙ্গে টিভি নাইন বাংলার পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও, মন্তব্য করেননি অভিনেত্রী।
তবে সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটা পোস্ট দেন সায়নী। সেখানে কপালে লাল টিপ, হাতে গোলাপ নিয়ে শাড়িতে সেজেছেন সায়নী। তাঁর হেয়ার স্টাইল বদলে গিয়েছে আগের চেয়ে। চুলের কার্ল নজর কাড়ছে। নিজের ছবি পোস্ট করে সায়নী লিখলেন, ”আমি পরের চ্যাপ্টারের উপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস রাখি, কারণ সেই চ্যাপ্টারের লেখিকা আমি।” এরপর সায়নীর পদক্ষেপ কী হতে চলেছে, তা দেখার অপেক্ষা।
লক্ষণীয় ইনস্টাগ্রামে এই ছবি পোস্ট করেছেন সায়নী। কিন্তু কমেন্ট সেকশন অফ করে দিয়েছেন। বিক্ষুব্ধ সাংসদদের মধ্যে টলিপাড়ায় যাঁদের কাজ করতে দেখা যায়, তাঁদের মধ্যে জুন মালিয়া কমেন্ট সেকশন খোলা রেখেছেন আগের মতোই। সেখানে তাঁর সম্পর্কে সরাসরি মত প্রকাশ করতে পারছেন সাধারণ মানুষ। রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় কমেন্ট সেকশন বন্ধ করে দেননি। সেখানে অবশ্য বেশ কিছু নেগেটিভ মন্তব্য এসেছে। একজন এসে লিখেছেন, ‘দল বদলু’। আর একজন এসে লিখেছেন, ‘চোর’।
এই আবহে সায়নীকে নিয়ে বড় কথা বলে বসেছেন নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের অন্যতম ‘মিডলম্যান’ তাপস মণ্ডল। কুন্তল ঘোষের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “গোটা রাজ্য়ে এরকম হাজার কুন্তল পাওয়া যাবে যাঁরা অভিষেকের (বন্দ্যোপাধ্যায়) নামে টাকা তুলেছে। সায়নীর পিছনে অনেক খরচ করতো কুন্তল। কারণ ও তো যুব সম্পাদক, আর সায়নী যুব সভানেত্রী। ওকে তো ফ্ল্যাট, গাড়ি দিয়েছে।”