
কথায় বলে ভালমন্দ নিয়েই জগত। সব খারাপ হয়ে যায়নি এখনও। মাঝে মধ্যেই মানবিকতার সেই ছবি চোখের সামেন ধরা দেয়। ঠিক যেমন এখন গোটা বিশ্ব হয়ে উঠেছে তিলোত্তমার কণ্ঠ। তাঁর পরিবারের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ছেন সকলে। গর্ব করে তিলোত্তমার পরিবার জানিয়েছিল, আজ শত শত ছেলে মেয়ে আমাদের পাশে। নাহ্, মেয়েটা আর ফিরবে না, তবে বিচার পেতেই হবে। আর কোনও তিলোত্তমা হতে দেবে না এই শহর, এই রাজ্য এই দেশ। আর সেই বদলের আশায় দিনগুনছেন সকলে। রাতের পর রাত জেগে চলছে প্রতিবাদ। সেখানেই যে ছবিগুলো মাঝে মধ্যেই চোখে পড়ছে, তা সোহিনী সরকারকে মনে করিয়ে দিল, মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ। অভিনেত্রী প্রথম থেকেই নেমেছেন পথে। বিচার চেয়ে কড়ে চলেছেন লড়াই।
আর এবার তাঁরই কলমে আবেগঘন পোস্ট। ঠিক কোন ছবি আরও একবার আশার আলো জাগালো তাঁর মনে? পরিস্থিতির উল্লেখ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখলেন, উনি আসলেন না… পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে গেলেন, তার বদলে এলেন বিরোধী দলের একজন নেতা… এই সুযোগটা হাতছাড়া করা উচিত হবেনা ভেবেই ( ২০২৬ সামনেই) … শিক্ষিত ছেলেমেয়ে গুলো শুধু গলার জোরেই স্লোগান তুলে তাকে বিদায় করল .. সারারাত রাস্তায় , পায়ের নীচে ফুটপাত , আর মাথার ওপরে খোলা আকাশ আর উল্টোদিকে ব্যারিকেডের পাঁচিল … আর কতক্ষন আর কতদিন থাকতে হবে আমরা কেউ জানি না … আমরা কেউ জানিনা আর কতদিন গেলে বিচার পাবো, আমরা কেউ জানিনা থ্রেট culture কবে শেষ হবে? আমরা কেউ জানি না জুনিয়র ডক্টররা কবে কাজে ফিরবে? আমরা কেউ জানি না সরকার আর কবে উত্তর দেবে? আমরা কেউ জানিনা আমরা সবাই কবে সমান সমান হবো? তবে আমাদের ধৈর্য্য অনেক, অপেক্ষা করবো … আশেপাশের দোকান থেকে কত মানুষ এসে জল, চা,খাবার এসে দিয়ে গেলেন .. কত মানুষ ফেসবুকের পোস্ট দেখে বাড়ির দরজা খুলে দিলেন , বাথরুম যাওয়ার জন্য … মিছিলে এক কাকু দোকান থেকে এক কৌটো লজেন্স দিয়ে গেলেন, কোথা থেকে এত জল আসছে নিজেরাও বুঝতে পারছিনা ..তখন শুধু একটা কথাই মনে হয় এই মানুষগুলোকে দেখে ‘মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ‘’।