
নয়া দিল্লি: বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশের কারণে কীভাবে বদলাচ্ছে জনবিন্যাস? বাংলাদেশ সীমান্তে কতটা এগিয়েছে বেড়া দেওয়ার কাজ?
এই যাবতীয় বিষয় নিয়ে আজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে বৈঠকে বসবেন পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত লাগোয়া জেলার পুলিশ সুপাররা। একইসঙ্গে এই বিষয় সংক্রান্ত রিপোর্টও জমা দেবেন তাঁরা।
শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, আন্তর্জাতিক সীমান্ত লাগোয়া প্রত্যেক রাজ্যের সব জেলার এসপিদের বৈঠকে ডেকেছেন অমিত শাহ। জম্মু-কাশ্মীর, পঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাত, উত্তরাখন্ড, উত্তর প্রদেশ, বিহার, বাংলা এবং উত্তর-পূর্বের রাজ্যের এসপিদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা হবে।
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার দাবি করেছেন, অনুপ্রবেশের ফলে স্বাধীনতার পর থেকেই পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি যেমন পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ত্রিপুরার জনবিন্যাসের চরিত্র অনেকটাই বদলে গিয়েছে। যা দেশের সুরক্ষার জন্য বড় ধরনের বিপদ বলে মনে করেন তিনি। দিন কয়েক আগেই সীমান্ত এলাকাগুলিতে কেন জনবিন্যাস পাল্টে যাচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ডেমোগ্রাফি মিশনের অন্তর্গত উচ্চস্তরীয় কমিটিকে।
শুধু তাই নয়, সীমান্তে সুরক্ষা জোরদার করার জন্য স্মার্ট বর্ডারের পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে,’স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্প চালু করে সীমান্তের প্রায় কয়েক হাজার কিলোমিটার এলাকা সুরক্ষিত করা হবে। জানা গিয়েছে, স্মার্ট বর্ডার প্রকল্পে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তজুড়ে প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার এলাকা সুরক্ষিত করা হবে। তবে, নিরাপত্তাকে আরও স্মার্ট করে তোলা হবে। অর্থাৎ নিরাপত্তায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবস্থা থাকবে।