
শ্রীনগর: লাগাতার বৃষ্টিতে নামল ধস (Landslide) ও হড়পা বান (Flash Flood)। রবিবার একটানা বৃষ্টিতে ভেসে পুঞ্চ ও রাজৌরি জেলা। অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বহু মানুষ নিখোঁজ। বিপর্যয়ের পরই শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। এদিকে, এই লাগাতার বৃষ্টি, হড়পা বান ও ধসের জেরে সাময়িকভাবে অমরনাথ ও বৈষ্ণোদেবী যাত্রা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে।
বিগত কয়েকদিন ধরেই একটানা বৃষ্টি হচ্ছে জম্মু-কাশ্মীরে। এর জেরে রবিবার সকালে বিপর্যয় নামে। নদীর জল ফুলে ফেঁপে ওঠে। চোখের নিমেষে ডুবে যায় নীচু এলাকা। ভেসে যায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি। গাছপালা, বাড়িঘর ভেসে গিয়ে গোটা এলাকা তছনছ হয়ে যায়। পুঞ্চ ও রাজৌরি জেলার সমস্ত নদীই ফুঁসছে। বিপদ সীমা পার করেছে।
পাঁচজনের দেহ উদ্ধার হয়েছে কাদামাটির নীচ থেকে। সাংলা গ্রামে একই পরিবারের চার সদস্য ভেসে গিয়েছে হড়পা বানে। বাড়ি ভেঙে পড়ায় ২৮ বছরের এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। এছাজডাও অজ্ঞাতপরিচয় এক মহিলার দেহ উদ্ধার হয়েছে ধুন্দক লাথুং ব্রিজের নীচ থেকে।
এই বিপর্যয় নামার পরই উদ্ধারকাজ শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ভোর থেকেই রাজৌরি ও তার আশেপাশের এলাকায় উদ্ধারকাজের উপরে নজরদারি করছেন। তিনি সব রকমের সাহায্যের নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে মৌসম ভবন আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীরে প্রবল বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে।
খারাপ আবহাওয়ার কারণে জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের তরফে আজ থেকে বৈষ্ণো দেবী ও অমরনাথ যাত্রা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই দুই যাত্রা স্থগিত থাকবে।