
নয়া দিল্লি: ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) ইস্তফার দাবিতে অনড় ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party)। কেন্দ্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকের পর সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে (Abhijit Dipke) জানিয়েছেন যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি থেকে কোনওভাবে সরবেন না। আগামিকাল দুপুর দুটোয় আবার বৈঠকে বসবে সিজেপি-কেন্দ্র।
এ দিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে বসে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিরা। দিল্লির কন্সটিটিউশন ক্লাবে দুই ঘণ্টা ধরে বৈঠক চলে। বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে অভিজিৎ দিপকে বলেন, “যদি সরকার এই আন্দোলনের কোনও সমাধান চায়, তাহলে একটাই উপায়, তা হল ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। আমরা মানব না। ইস্তফার থেকে কম কিছুতে আমরা রাজি হব না।”
সিজেপি র দাবি, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহার করার ক্ষেত্রে নীতিগত মত রয়েছে সরকারের। ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করানো হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামীকাল পর্যন্ত সময় নিয়েছে সরকার।
২৬ দিন পর অনশন ভেঙেছেন সোনম ওয়াংচুক। তিনি যদি আন্দোলন প্রত্যাহার করার কথা বলেন, তাহলে কি তারা রাজি হবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে দিপকে বলেন, “এই আন্দোলন শুধু অভিজিৎ দিপকে বা সোনম ওয়াংচুকের আন্দোলন নয়। এটা দেশের যুবদের আন্দোলন হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ-আন্দোলন হচ্ছে। তাই ইস্তফা ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করা হবে না।”
ককরোচ জনতা পার্টির জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রানকা বলেন যে সরকার তাদের দুটি দাবি মেনে নিতে রাজি হয়েছেন। তাঁর দাবি, নিট পরীক্ষার্থীরা যারা আত্মহত্যা করেছে, তাদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ না করার দাবিও জানানো হয়েছিল। সরকার এতে রাজি। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আগামিকাল দুপুর অবধি সময় চেয়েছে কেন্দ্র।