
নয়াদিল্লি: নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস নিয়ে টানা ৩৬ দিনের আন্দোলন। তারপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদত্যাগ। এরপর থেকে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) ও তাঁর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে খবরের শিরোনামে। ইতিমধ্যেই স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে নতুন কর্মসূচি চালু করছেন তাঁরা। গ্রামের স্কুলগুলির কী অবস্থা, কেমন বা সেখানে পরিষেবা মেলে তা নিয়ে অভিভাবদেরই তাঁদের জানাতে বলেছেন দীপকে। তবে শুধু এই একটি কর্মসূচি নয়, ফের একবার নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচির ইঙ্গিত দিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে তাঁদের নতুন প্রতিবাদ কর্মসূচি,’যন্তর মন্তর সিজন ২’।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার দিল্লিতে দলের ভলান্টিয়ারদের নিয়ে একটি বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও, শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হয়ে যায়। CJP-র অভিযোগ, কেন্দ্র ও দিল্লির শাসকদল বিজেপির তরফ থেকে চাপ সৃষ্টি করার ফলেই যে হোটলে এই মিটিং হওয়ার কথা ছিল, সেই ব্যাঙ্কোয়েট হলের মালিক বুকিং বাতিল করতে বাধ্য হয়েছেন। তবে এই নিয়ে বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
‘আমরা ভয় পাওয়ার পাত্র নই’
দিল্লির নারায়নায় আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিজিৎ দীপকে জানান, সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই তাঁদের কাছে জানতে চাইছিলেন কবে থেকে যন্তর মন্তরে দ্বিতীয় পর্বের আন্দোলন শুরু হবে। তিনি বলেন,”ইনস্টাগ্রামে অনেকেই প্রশ্ন করছেন যন্তর-মন্তরের সিজন ২ কবে শুরু হবে। আমি তাঁদের বলতে চাই, খুব শীঘ্রই যন্তর মন্তর সিজন ২ শুরু হতে চলেছে।”
বৈঠকের জায়গা না পাওয়া প্রসঙ্গে অভিজিৎ দাবি করেন,”আমরা দিল্লিতে ভলান্টিয়ার্স মিটিংয়ের জন্য হল খুঁজছিলাম, কিন্তু কেউ আমাদের হল ভাড়া দিতে রাজি হচ্ছিল না। প্রত্যেকেই বলছিল উপর থেকে চাপ রয়েছে। এমনকী যে জায়গাটি শেষমেশ ঠিক করি, অনুষ্ঠানের দিন সকালেও তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়। বলা হয় সভা করতে দিলে উল্টো ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।”
‘বিজেপি ভয় পাচ্ছে’
তিনি আরও যোগ করেন,”বিজেপি দেশের যুবসমাজকে ভয় পাচ্ছে। তাদের এই আচরণ থেকেই তা স্পষ্ট। তারা যদি মনে করে এসব ছোটখাটো পদক্ষেপ দিয়ে আমাদের ভয় দেখানো যাবে, তবে তারা ভুল ভাবছে।”
শুরু হচ্ছে দেশব্যাপী ‘লিসেনিং ট্যুর’
CJP-র মুখ্য মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, দলের পরবর্তী পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে। সাধারণের সঙ্গ জনসংযোগ চালু হয়েছে। ১৫ অগস্ট থেকে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে নজর দিতে দেশজুড়ে একটি ‘লিসেনিং ট্যুর’ (Listening Tour)অভিযান শুরু করা হবে। সেখানে শোনা হবে শিক্ষাব্যবস্থার কথা।