
হায়দরাবাদ: প্রস্তুতি তখন তুঙ্গে। ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন মেয়ে। বাড়িতেও তখন বেড়েছে অতিথিদের আনাগোনা। শুরু হয়ে গিয়েছে গান-বাজনা, হই-হুল্লোড়। আর সেই আনন্দের জোয়ারের মাঝেই যেন শেষ হয়ে গেল সব। বিয়ের অনুষ্ঠানে নামল শোকের ছায়া। কী এমন ঘটল?
ঘটনা তেলেঙ্গনার কামারেড্ডি জেলার বিকানুরের রামেশ্বরপল্লি গ্রামের। বৃহস্পতিবার, ছিল মেয়ের বিয়ে। আর তা নিয়েই রীতিমতো ব্যস্ত ছিলেন বাবা বালাচন্দ্রম। তখন অতিথিদের আনাগোনাও বেড়ে গিয়েছে। তাই নজর দিতে হয়েছে সেই দিকেও। অনুষ্ঠান যাতে ঠিক মতো মিটে যায়, তার জন্য হন্তদন্ত হয়ে ছোটাছুটি করছিলেন তিনি। কাজের চাপ থাকলেও, মনে ছিল খুশির আমেজ। বড় মেয়ের বিয়ে বলে কথা, মন তো খুশি হবেই। কিন্তু সেই খুশিই যেন চোখের জলে ধুয়ে-মুছে গেল কিছুক্ষণের মধ্যে।
বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি লজেই আয়োজন হয়েছিল বিয়ের অনুষ্ঠান। সেখানেই কন্যার বিয়ের রীতি-রেওয়াজ পালন করেন বালাচন্দ্রন। এমনকি বিয়ের আগে মেয়ের পাও ধুইয়ে দেন তিনি। তারপর শরীরের মধ্যে শুরু হয় অস্বস্তি। অসুস্থ বোধ করেন বালাচন্দ্রম। লজ ছেড়ে চলে যান বাড়িতে। গিয়ে শুয়েও পড়েন একটি ঘরে। তারপরেই বিকল হয়ে পড়ল হৃদযন্ত্র। বিয়ের হই হট্টগোলের মাঝে ঘরের মধ্যেই পড়ে রইল বালাচন্দ্রমের নিথর দেহ।
যখন ঘরের বাইরে থেকে ডেকেও সাড়া পেলেন না বাড়ির লোক। তখনই ঘরে ঢুকতেই দেখে ঘটে গিয়েছে এমন কাণ্ড। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসক ডাকা হলেও, ততক্ষণে প্রাণ গিয়েছে তার।