
নয়া দিল্লি: মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সামলেছেন রাজনাথ সিং। পরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব পান। তাঁর আমলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। কাশ্মীর সীমান্ত থেকে ডোকলাম, বিভিন্ন সময়ে অশান্ত পরিস্থিতি সামলেছে তাঁর মন্ত্রক। এবার ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজনাথ সিং বুঝিয়ে দিলেন, ভারতের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কোন পথে হচ্ছে। TV9 নেটওয়ার্কের ‘সত্তা সম্মেলনে’ উপস্থিত হয়ে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, ভারত কখনও কারও কাছে মাথা নীচু করবে না। বার্তা দিয়েছেন বিরোধীদেরও।
কী কী গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন তিনি, একনজরে
১. ‘ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের সময়ে মোদীজি যা করেছেন, তা বিশ্বের আর কোনও রাষ্ট্রনেতা করতে পারেননি। ভারতীয়দের উদ্ধারের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে কথা বলেন।’
২. ‘সন্ত্রাসবাদীদের সুরক্ষা দেয় পাকিস্তান। সন্ত্রাসবাদীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া বন্ধ করুক। সব ঠিক হলে ভারত পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার পথে হাঁটতে পারে। প্রতিবেশীর সঙ্গে সবসময় শান্তি বজায় রাখতে চায় ভারত।’
৩. ‘কাশ্মীরবাসী বলছে, আগের পরিস্থিতি ফিরে আসছে। শান্ত হচ্ছে কাশ্মীর। বাড়ছে পর্যটক। কিন্তু বিরোধীরা যখন সেনার শক্তি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে, প্রশ্ন তোলে, তখন সবথেকে খারাপ লাগে।’
৪. ‘কেন্দ্রীয় সরকার কোনও রাজ্যের মধ্যে কখনও ভেদাভেদ করেনি। আমরা কাউকে কোনও ভয় দেখাচ্ছি না। যারা ভুল করবে তাদের জন্য ইডি-তো কাজ করবেই। বিরোধীরা কি চায় যে দুর্নীতি বাড়ুক?’
৫. ‘আমরা কাউকে আক্রমণ করব না, কিন্তু কেউ আমাদের আক্রমণ করলে আমরা ছেড়ে কথা বলব না। ভারত হল একমাত্র দেশ, যারা অন্য কোনও দেশের এক ইঞ্চি জমিও নেয়নি।’
৬. ‘পাক অধিকৃত কাশ্মীরের লোকজন নিজেরাই বলছে আমরা ভারতে যেতে চাই। দেখুন ভবিষ্যতে কী হয়।’
৭. ‘লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ৩৭০ পার করবে আর এনডিএ ৪০০। তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদী, চতুর্থবারও প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদী।’
8. ‘চিনের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এটুকু বলতে পারি, মাথা নীচু করে কোনও কথা হচ্ছে না।’
৯. ‘ভারতের জমি কেউ নেয়নি। যে কোনও পরিস্থিতির জন্য সবসময় তৈরি আছে সেনাবাহিনী।’
১০. ‘হিন্দু কোনও জাতি নয়, এটা আসলে একটা জীবন-পদ্ধতি। ভারতের বেশির ভাগ মানুষ সেই জীবন-পদ্ধতি মেনে চলে। তবে বিজেপি জাতপাতের রাজনীতি করে না।’