
নয়া দিল্লি: পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যোগ, দাউদ ইব্রাহিমে(Dawood Ibrahim)-র সঙ্গে যুক্ত থাকা সন্দেহভাজন নয় ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হল। এরা দিল্লি ও মুম্বইতে বড়সড় নাশকতার ছক কষেছিল। হামলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই তাঁদের ধরল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল (Delhi Police Special Cell)।
আজ, শনিবার (৩০ মে) দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের তরফে জানানো হয়, নয়জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই (ISI) এবং কুখ্যাত গ্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে যুক্ত। এদের বড়সড় নাশকতার প্ল্যান (Terror Plan) ছিল।
জানা গিয়েছে, ধৃতরা দিল্লি, মুম্বই ও পঞ্জাবের বাসিন্দা। আবার কয়েকজন বিদেশি নাগরিকও রয়েছে। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-শস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। এদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও নিরাপত্তা বাহিনীর আধিকারিকদের উপরে হামলা চালানোর।
সূত্রের খবর, ধৃতদের হিটলিস্টে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মডিউল বেশ কিছু সময় ধরেই নজরে ছিল। আন্তঃসীমান্ত যোগ, বিদেশ থেকে আর্থিক মদত ও হ্যান্ডলারদের গতিবিধি-কার্যকলাপ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দিল্লি পুলিশ শীঘ্রই এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাবে।
এদিকে, নয় সন্দেহভাজন ধরা পড়ার পর থেকেই দিল্লিতে জঙ্গি হানার আশঙ্কায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতেই গোয়েন্দা বাহিনীর কাছে মধ্য দিল্লিতে আত্মঘাতী হামলা, গাড়িতে আইইডি বিস্ফোরণ, গুলি চালানো ও পরিকল্পনামাফিক হামলার সতর্কতা এসেছিল।
গত বছর ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লায় পার্কিং লটে আইইডি বিস্ফোরণ হয় গাড়ির মধ্যে। ওই বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। হামলার মূল চক্রী হিসাবে উঠে এসেছিল ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত কাশ্মীরী চিকিৎসক উমর উন নবি। বাকি অভিযুক্তরাও অনেক আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্য়ালয়ে কর্মরত ছিল। তখনই ‘হোয়াইট কলার টেররিজম’ মডিউল সামনে আসে।