
ভুবনেশ্বর: দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হয়েছে ‘হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা’। ওড়িশার সম্বলপুরেও সমারোহে পালন করা হল এই কর্মসূচি। এই মিছিলের নেতৃত্ব দিলেন বিজেপি সাংসদ তথা দলের প্রবীণ নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান। জাতীয় পতাকা নিয়ে দলীয় কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পদযাত্রায় অংশ নেন তিনি। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জনজোয়ার দেখা যায়।
স্বাধীনতা দিবসের আগে দেশজুড়ে ৯ অগস্ট থেকে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ওড়িশার সম্বলপুরে এই কর্মসূচির সূচনা করলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। হাতে পতাকা, গলায় তিরঙ্গা উত্তরীয় পরে দলের কর্মী-নেতাদের সঙ্গে হাঁটেন। পদযাত্রার পাশাপাশি একটি জায়গায় জমায়েত হয়ে দেশপ্রেম ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়।
এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “তিরঙ্গা (ভারতের পতাকা) আমাদের জাতীয় গর্ব, আত্মমর্যাদা ও ঐক্যের প্রতীক। সম্বলপুরে ‘তিরঙ্গা যাত্রা’র মাধ্যমে আমরা বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছি। ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানকে গণআন্দোলনে পরিণত করি এবং ‘বিকশিত ওড়িশা’ ও ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তুলতে অবদান রাখি।” উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘিরে ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল দেশ। দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার। সেই দাবি পূরণ করে গত ২৫ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।
এদিকে, রবিবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি ‘তিরঙ্গা যাত্রা’-য় অংশগ্রহণকারীদের প্লাস্টিকের পতাকা ব্যবহার না করার আবেদন জানিয়েছিলেন। পরিবেশবান্ধব কর্মসূচির জন্য প্লাস্টিকের পরিবর্তে কাপড়ের তৈরি জাতীয় পতাকা ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আহ্বানে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি বর্তমানে একটি দেশব্যাপী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।
‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া একটি পোস্টও করেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি লেখেন,”এই কর্মসূচি ভারতীয়দের মধ্যে দেশপ্রেম, আত্মমর্যাদা ও ঐক্যের অনুভূতি আরও শক্তিশালী করছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আহ্বানে শুরু হওয়া এই অভিযান আজ গোটা দেশে গণআন্দোলনের রূপ নিয়েছে।”