Jharkhand High Court: ‘মহিলার শরীর থেকে পোশাক সরানো ধর্ষণ নয়’, রায় বদল করল হাইকোর্ট

Physical Assault: হাইকোর্টের বক্তব্য, শুধুমাত্র রাত্রিবেলায় কোনও মহিলার বাড়িতে ঢুকে, তাঁর পোশাক তোলা ভারতীয় দণ্ডবিধিতে ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টা বলে গণ্য হয় না। হাইকোর্ট অর্ডারে বলে যে অভিযুক্তের বয়ানে কোনওভাবেই এটা প্রমাণিত হয় না যে অভিযুক্তের পদক্ষেপ ধর্ষণের উদ্দেশে ছিল। তবে তাঁর আচরণ যে অশ্লীল ও আপত্তিকর ছিল, তা স্বীকার করে হাইকোর্টও। 

Jharkhand High Court: মহিলার শরীর থেকে পোশাক সরানো ধর্ষণ নয়, রায় বদল করল হাইকোর্ট
প্রতীকী চিত্র।Image Credit source: Pexels

|

Sep 10, 2026 | 2:05 PM

রাঁচী: কোনও মহিলার বাড়িতে ঢুকে, তাঁর পোশাক সরানো বা খুলে ফেলার চেষ্টা ধর্ষণ নয়। রায় দিল ঝাড়খণ্ড হাইকোর্ট। ১৯৯৯ সালে ঘটা একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে মামলার শুনানিতে ২৬ বছর পর এই রায় হাইকোর্টের। ধর্ষণের অভিযোগ খারিজ করে, মহিলার শ্লীলতাহানির চার্জ বসাতে নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

জানা গিয়েছে, ১৯৯৯ সালে ঝাড়খণ্ডে এক মহিলার বাড়িতে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন এক যুবক। তবে সেই চেষ্টায় ব্যর্থ হয়। ২০০৬ সালে ওই মামলায় নিম্ন আদালত অভিযুক্তকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় অভিযুক্ত। নিম্ন আদালতের রায়কে খারিজ করে দিল ঝাড়খণ্ড হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের বক্তব্য, শুধুমাত্র রাত্রিবেলায় কোনও মহিলার বাড়িতে ঢুকে, তাঁর পোশাক তোলা ভারতীয় দণ্ডবিধিতে ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টা বলে গণ্য হয় না। অভিযুক্তের আপিল শুনে নিম্ন আদালতের রায়কে পরিবর্তিত করে, ধর্ষণের অভিযোগ বদলে মহিলার শ্লীলতাহানি ও তাঁর উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের মামলা করা হয়েছে।
বিচারপতি প্রদীপ কুমার শ্রীবাস্তব পর্যবেক্ষণে বলেন, “ধর্ষণের উদ্দেশ্যে করা কোনও নির্দিষ্ট কাজ যদি ধর্ষণের সময় যথেষ্ট ঘনিষ্ঠ না হয়, তাহলে ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী সেটিকে ধর্ষণের চেষ্টা বলা যাবে না।”
হাইকোর্ট অর্ডারে বলে যে অভিযুক্তের বয়ানে কোনওভাবেই এটা প্রমাণিত হয় না যে অভিযুক্তের পদক্ষেপ ধর্ষণের উদ্দেশে ছিল। তবে তাঁর আচরণ যে অশ্লীল ও আপত্তিকর ছিল, তা স্বীকার করে হাইকোর্টও।

যেহেতু অভিযুক্ত মামলার শুনানি চলাকালীন ইতিমধ্যেই আট মাস শাস্তি পেয়েছেন, তাই তাঁকে আর সাজা পেতে হবে না।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us