S Jaishankar on USAID: ভারতের ‘সরল বিশ্বাস’ নিয়ে ছিনিমিনি? ১৮২ কোটির মার্কিন অনুদান নিয়ে বড় সত্যিটা বলে দিলেন জয়শঙ্কর

India-US Relation: তিনি বলেন, "আমার মনে হয়, ট্রাম্প প্রশাসন কিছু তথ্য সামনে এসেছি, যা অত্যন্ত উদ্বেগের। যদি দাবি সত্য হয়, তবে এর অর্থ হচ্ছে নির্দিষ্ট কোনও উদ্দেশ্য নিয়েই কিছু কার্যকলাপ, গতিবিধি হয়েছে।"

S Jaishankar on USAID: ভারতের সরল বিশ্বাস নিয়ে ছিনিমিনি? ১৮২ কোটির মার্কিন অনুদান নিয়ে বড় সত্যিটা বলে দিলেন জয়শঙ্কর
বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।Image Credit source: PTI

|

Feb 23, 2025 | 8:18 AM

নয়া দিল্লি: মার্কিন অর্থ সাহায্য নিয়ে হইচই। ২১০ মিলিয়ন ডলার অর্থ সাহায্য বন্ধের ঘোষণা করেছেন আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিতর্ক এই সাহায্য বন্ধ নিয়ে নয়, বরং তাঁর একটি মন্তব্যের জন্য। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভারতে ভোটার সংখ্যা বাড়াতেই নাকি এই অর্থ সাহায্য করা হত। আবার অন্য একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এই টাকা আসলে ভারতে নয়, বরং বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছিল। এই মার্কিন অনুদান, তা ঘিরে বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

২১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিয়ে ট্রাম্পের উদ্বেগ প্রকাশ করার পরই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর শনিবার বলেন, “বাড়ি থেকে না বেরিয়েও তোমার নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে শুধুমাত্র চিন্তাভাবনা, বিশ্লেষণ, মূল্যবোধ এবং ঠিক-বেঠিকের ধারণার উপরে ভিত্তি করে। আমরা প্রতিদিন মোবাইল দেখে প্রভাবিত হচ্ছি। যা কিছু প্রতিদিন পড়ছি, যে ছবি দেখছি, তার মাধ্যমে।”

তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, ট্রাম্প প্রশাসন কিছু তথ্য সামনে এসেছি, যা অত্যন্ত উদ্বেগের। যদি দাবি সত্য হয়, তবে এর অর্থ হচ্ছে নির্দিষ্ট কোনও উদ্দেশ্য নিয়েই কিছু কার্যকলাপ, গতিবিধি হয়েছে। কোনও একটি দৃষ্টিভঙ্গিকে সকলের মনে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। সরকার এই বিষয়টি দেখছে কারণ এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব রয়েছে যাবতীয় কার্যকলাপ রিপোর্ট করা। আমার মতে, সত্যিটা বেরিয়ে আসবে।”

কারোর দিকে কি সন্দেহ রয়েছে, এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “আমি বলছি না এই-ওই ব্যক্তি মার্কিন তহবিলের দায়িত্বে ছিল। মার্কিন অনুদানের সঙ্গে কী করেছ, প্রশ্নটা এটা নয়। USAID বহু দিন ধরেই রয়েছে, সরল বিশ্বাসে, ভাল কাজ করার জন্যই তার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। আমেরিকা বলছে, খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে ব্যবহার হয়েছে। অবশ্যই এটা খতিয়ে দেখা হবে। যদি সত্যিই কোনও কিছু হয়, তবে দেশের মানুষের জানা উচিত কারা এই খারাপ কাজের সঙ্গে যুক্ত।”

ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠতেই ইডি ও অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থা বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে। ২১০ মিলিয়ন ডলারের খরচ কোথায় হয়েছিল, তা খুঁজতে বিভিন্ন অলাভজনক সংস্থা, সমাজকর্মী, মিডিয়া ফার্ম ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলি ইডির র‌্যাডারে রয়েছে বলেই সূত্রের খবর।

Follow Us