Former Judge Yashwant Verma Found Guilty: কোটি কোটি টাকার উৎস কী, নেই কোনও ব্যাখ্যা! সংসদীয় কমিটিও দোষী সাব্যস্ত করল প্রাক্তন বিচারপতি ভর্মাকে

Cash found at Yashwant Verma's House: প্যানেল টাকা উদ্ধারের পর যে তদন্ত হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, "তথ্য প্রমাণ সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। আইন অনুযায়ী গুদাম ঘর সিল করা ও তদন্তের আগে প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছিল। নোট কীভাবে উধাও যাওয়ারও কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।"

Former Judge Yashwant Verma Found Guilty: কোটি কোটি টাকার উৎস কী, নেই কোনও ব্যাখ্যা! সংসদীয় কমিটিও দোষী সাব্যস্ত করল প্রাক্তন বিচারপতি ভর্মাকে
ফাইল চিত্র।Image Credit source: X

|

Aug 12, 2026 | 5:40 PM

নয়া দিল্লি: দোষী সাব্যস্ত হলেন দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি যশবন্ত ভর্মা। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল বিপুল পরিমাণ টাকা। সেই টাকা কোথা থেকে এসেছিল, তা ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হলেন তিনি। এরপরই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার নেতৃত্বে গঠিত প্যানেলের তরফে প্রাক্তন বিচারপতিকে দোষী সাব্যস্ত করা হল।

আজ, বুধবার কমিটির রিপোর্ট পেশ করা হয় সংসদে। রিপোর্টে দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতিকে টাকা উদ্ধারের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ১৪ মার্চের রাতে দিল্লি হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি যশবন্ত ভর্মার বাসভবনে আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের সময় বাড়িতে ছিলেন না বিচারপতি ও তাঁর পরিবার। দমকল আগুন নেভাতে গেলে, একটি গুদাম ঘর থেকে বান্ডিল বান্ডিল টাকা উদ্ধার হয়, যার অধিকাংশই আগুনে পুড়ে গিয়েছিল।

বিচারপতি ওই টাকার উৎস জানাতে পারেননি। এরপরই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। আজ কমিটির রিপোর্টে বলা হয়, “৩০, তুঘলক ক্রেসেন্ট নয়া দিল্লির বাসভবনের স্টোররুমে বিপুল পরিমাণ ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার হয়েছিল। বিচারপতি এই টাকার উৎস ও মালিকানার যথাযথ ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছেন।”

প্যানেল টাকা উদ্ধারের পর যে তদন্ত হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, “তথ্য প্রমাণ সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। আইন অনুযায়ী গুদাম ঘর সিল করা ও তদন্তের আগে প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছিল। নোট কীভাবে উধাও যাওয়ারও কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।”

তবে কমিটির রিপোর্টে এও উল্লেখ করা হয়েছে বিচারপতি নিজেই ওই টাকা সরিয়েছিলেন, এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বাড়িতে এই বিপুল পরিমাণ টাকা কোথা থেকে এল, তার যে ব্যাখ্যা প্রাক্তন বিচারপতি ভর্মা দিয়েছিলেন, তা সন্তোষজনক নয় বলেই জানিয়েছে প্যানেল। তাঁর বয়ানে স্বচ্ছতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতা ছিল না।

এর আগে আদালতের তরফে  তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার নেতৃত্বে ইন-হাউস কমিটি তদন্ত করেছিল, সেই কমিটিও বলেছিল, “যে নির্দিষ্ট স্টোররুমে নগদ টাকা লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, সেটির উপর বিচারপতি ভর্মার সক্রিয় বা নীরব নিয়ন্ত্রণ ছিল।”

টাকা উদ্ধারের পর দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং তিনি এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি হন। সংসদের তরফে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এরপরে বিচারপতি ভর্মা নিজেই ইস্তফা দেন।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us