
পটনা: প্রেমে সব কিছু সম্ভব! অফিসে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে ভাললাগা, ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু টাকা উদ্ধার করতে গিয়ে প্রেমে পড়ার গল্প কখনও শুনেছেন? যে ব্যক্তি ঋণ নিয়েছিলেন, তাঁর কাছ থেকে টাকা আদায় করতে গিয়েই ওই ব্যক্তির স্ত্রীর প্রেমে পড়লেন যুবক। ওপার থেকেও এল সাড়া। প্রেমের টানে স্বামী, সংসার ছেড়ে বেরিয়ে এলেন যুবতীও। লোন রিকভারি এজেন্টের সঙ্গেই বাঁধা পড়লেন সাত পাকে।
ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের জামুই জেলায়। ওই বিবাহিত যুবতীর বাড়িতে আসত পবন নামক এক যুবক। পেশায় লোন রিকভারি এজেন্ট তিনি। বাকি থাকা ঋণের টাকা আদায়ের জন্যই জামুইয়ের জাজাল গ্রামের বাসিন্দা উপেন্দ্র যাদব নামক এক ব্যক্তির বাড়িতে এসেছিলেন। সেখানেই পরিচয় উপেন্দ্রর সুন্দরী স্ত্রী ইন্দিরা কুমারীর সঙ্গে।
প্রথম দেখাতেই দুজনের দুজনকে ভাল লেগে যায়। ঋণ আদায়ের নামে বারবার ওই বাড়িতে যেতেন। এভাবেই সখ্যতা গড়ে ওঠে। দুজন ফোন নম্বর আদান-প্রদান করেন। কথা থেকেই সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে। এরপর দুজনে সিদ্ধান্ত নেন তারা বিয়ে করবেন। যেমন ভাবা, তেমন কাজ। স্বামীকে ফেলে প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে গেলেন যুবতী। মন্দিরে গিয়ে সাত পাক ঘুরে বিয়ে করলেন।
যুবতীর দাবি, বিয়ের পর জানতে পারেন স্বামী নিয়মিত মদ্যপান করেন। মদ্যপান করে তাঁকে প্রায়দিন মারধরও করত। এই ঘটনাতে তিতিবিরক্ত হয়েই পালিয়ে যাওয়ার প্ল্যান করছিল। তখনি জীবনে এন্ট্রি নেয় লোন রিকভারি এজেন্ট। তার সঙ্গেই প্রেম করে ফের বিয়ে করেন যুবতী।