
১) কেনাকাটা বা ভ্রমণের জন্য দৈনন্দিন প্রয়োজনে ক্রেডিট কার্ড অত্যন্ত জরুরি। তবে নিয়মিত আয়ের প্রমাণপত্র না থাকায় শিক্ষার্থী, গৃহবধূ ও নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে সাধারণ ক্রেডিট কার্ড পাওয়া খুব কঠিন হয়ে পড়ে। (Credit - Getty Images)
ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা যাচাই, আর্থিক ঝুঁকি কমানো এবং ক্রেডিট লিমিট নির্ধারণ করতে ব্যাঙ্ক সাধারণত বেতন স্লিপ ও আয়কর রিটার্নের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথি চায়। (Credit - Getty Images)
যাঁদের আয়ের প্রমাণ নেই, তাঁদের জন্য সিকিওর্ড ক্রেডিট কার্ড সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বিকল্প। এই কার্ড সাধারণত ব্যাঙ্কে থাকা ফিক্সড ডিপোজিটের বিপরীতে জামানত হিসেবে ইস্যু করা হয়। (Credit - Getty Images)
ব্যাঙ্কগুলো সাধারণত ফিক্সড ডিপোজিটের ৭০-৯০% অবধি ক্রেডিট লিমিট দেয়। আমানত জামানত হিসেবে ঝুঁকি কম থাকে ও খুব সহজেই পারমিশন পাওয়া যায়। (Credit - Getty Images)
কোনও নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কে দীর্ঘদিন ধরে ভাল লেনদেন ও সঞ্চয় থাকলে, সুসম্পর্কের ভিত্তিতে কার্ড পাওয়ার একটা সুযোগ থাকে। (Credit - Getty Images)
আয়ের প্রমাণ না থাকলে পরিবারের উপার্জনকারী সদস্যের কার্ডের অধীনে Add On Credit কার্ড নেওয়া যায়। এই ক্ষেত্রে মূলত কার্ড যাঁর নামে, তিনিই বিল পরিশোধের পূর্ণ দায়িত্ব বহন করেন। (Credit - Getty Images)
তবে শুধু আবেদন করলেই ক্রেডিট কার্ড পাওয়া যাবে, এমন কোনও বিষয় নেই। আবেদনকারীর ক্রেডিট হিস্ট্রি, বয়স ও ঝুঁকি যাচাই করেই ব্যাঙ্কগুলো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। (Credit - Getty Images)
সিকিওর্ড কার্ড বা Add On কার্ডের মতো বিকল্পগুলোর মাধ্যমে সহজে আর্থিক সুবিধা পাওয়া যায়। পাশাপাশি সময় মতো বিল পরিশোধ করলে ভাল ক্রেডিট স্কোর গড়ে তোলা যায়। (Credit - Getty Images)