
নয়া দিল্লি: ভারতীয় সেনার বিরাট চমক। এবার সামিল হচ্ছে সেনাবাহিনীতে নতুন সদস্য। অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার বাজ ব্যাটেলিয়ানের (Baaz Battelion) সূচনা করতে চলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী (Indian Army)। কী সুবিধা হবে সেনার?
বাজ ব্যাটেলিয়ন তৈরি হয়েছে ড্রোন নিয়ে। সূত্রের খবর, ড্রোন যুদ্ধের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হবে এই বাজ ব্যাটেলিয়নকে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অত্যাধুনিক ড্রোন ব্যবহার করে কীভাবে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে নির্ভুল হামলা চালানো যায়, তার জন্য কাজ করবে এই ব্যাটেলিয়ন। প্রযুক্তি নির্ভর এই ব্যাটেলিয়নে বিশেষ জায়গা পাবেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা।
বাজ ব্যাটেলিয়ন একদিকে যেমন সীমান্তে নজরদারি বাড়াবে, তেমনই ড্রোন যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুত করবে। যেকোনও পরিস্থিতিতে প্রস্তুত থাকার জন্য তৈরি করা হবে এই ব্যাটেলিয়নকে। ফ্রন্টলাইন ইউনিট ও ইন্টেলিজেন্স সিস্টেমের সহযোগিতায় কাজ করবে।
জানা গিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় আকাশপথে নজরদারির দায়িত্ব থাকবে এই ইউনিটের। সেনাবাহিনীর ফ্রন্টলাইন ইউনিটকে সঠিক সময়ে, সঠিক ইন্টেলিজেন্স ইনপুট দেওয়াই হবে এই ব্যাটেলিয়নের কাজ।
রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধে ড্রোনের ব্যবহার দেখিয়েছে, কীভাবে যুদ্ধের স্ট্রাটেজি বদলাচ্ছে। অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতের উপর লাগাতার ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। সেই সময় পাকিস্তানকে ড্রোন দিয়ে সাহায্য করেছিল তুরস্ক। প্রযুক্তিগত সহায়তা করেছিল চিনও। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতেই এবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাল্টা হাতিয়ার হচ্ছে বাজ ব্যাটেলিয়ন। গতকালই সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এখন ভারতীয় সেনার হাতে ৫০ হাজার ড্রোন বাহিনী রয়েছে। এই ড্রোন দিয়েই এবার বিপদ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ভারতীয় সেনা।
এই উদ্যোগের ঘোষণা করে বিদায়ী সেনা প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন যে স্পেশালিস্ট ক্যাডার তৈরি করা হবে যা ড্রোন অপারেট, ম্যানেজের কাজ করবে। তিনি বলেন, “সেনাবাহিনীতে বড় পরিসরে ড্রোনের ধারাবাহিক অন্তর্ভুক্তি, আধুনিকীকরণ (আপগ্রেড) এবং ঘাটতি পূরণ (রিপ্লেনিশমেন্ট) প্রয়োজন হবে। এই চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলির মধ্যে একটি হল ‘বাজ ব্যাটেলিয়ন’ (Baaz Battalions) গঠন করা।”