
নয়া দিল্লি: সাড়ে সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই হাসপাতালে। তার জেরেই মৃত্যু হল নবজাতকের। এই ঘটনার পরই কাঠগড়ায় দিল্লির নামকরা হাসপাতাল। বিষয়টি জানাজানি হতেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির মেয়র শেলি ওবেয়র।
জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার পুরনো দিল্লির কস্তুরবা গান্ধী হাসপাতালে এক নবজাতকের মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ ছিল না হাসপাতালে। ফলে প্রসবের সময় শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও, তার চিকিৎসার জন্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যায়নি। চিকিৎসায় গাফিলতির কারণেই মৃত্যু হয় শিশুটির।
একটি সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, গত ২২ অগস্ট পরিকল্পিতভাবেই বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছিল হাসপাতালে। সাড়ে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ ছিল। ওই সময়ে টর্চের আলোয় দুই শিশুর প্রসব করানো হয়। এর মধ্যে এক শিশুর মৃত্যু হয়। যদিও হাসপাতালের তরফে টর্চের আলোয় প্রসব করানোর অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
এমসিডির তরফে জানানো হয়েছে, অপারেশন থিয়েটারে পাওয়ার ব্যাক-আপ রেডি রাখা ছিল। ঘটনার দিন সকালে দুই শিশুর প্রসব করানো হয়, বিকেলে এক শিশুর প্রসব করানো হয়। ততক্ষণে বিদ্যুৎ চলে এসেছিল। টর্চের আলোয় কোনও শিশুর প্রসব করানো হয়নি।
শিশু মৃত্যু প্রসঙ্গে এমসিডির তরফে জানানো হয়েছে, জন্মের পর শিশুটি শ্বাস নিচ্ছিল না। তাকে নিকু (NICU)-তে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়। শিশুটির অভিভাবককেও স্বাস্থ্যের আপডেট দেওয়া হয়েছিল। ৫ দিন ভেন্টিলেটরে থাকার পর ওই দিন মৃত্যু হয় শিশুর।
বিষয়টি সামনে আসতেই দিল্লির মেয়র শেলি ওবেয়র দিল্লির মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের কমিশনারকে হাসপাতালের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেন। কীভাবে নবজাতকের মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।
আরও খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Tv9 বাংলা অ্যাপ (Android/ iOs)