INS Arighaat: সাগরে ভারতের জোড়া পারমাণবিক ফলা! কাঁপছে আজ লাল-সবুজ সব ফৌজ

চিনের লাল ফৌজ হোক কিংবা পাকিস্তানি সেনা বাহিনী, কেঁপে গেল সবাই। এবার সাগর দাপাতে ভারতের হাতে চলে এল জোড়া পারমাণবিক ফলা। বৃহস্পতিবার (২৯ অগস্ট), প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতে ভারতীয় নৌবাহিনীতে মোতায়েন করা হল অরিহন্ত-শ্রেণির দ্বিতীয় সাবমেরিন, 'আইএনএস অরিঘাত'।

INS Arighaat: সাগরে ভারতের জোড়া পারমাণবিক ফলা! কাঁপছে আজ লাল-সবুজ সব ফৌজ
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতে ভারতীয় নৌবাহিনীতে মোতায়েন হল 'আইএনএস অরিঘাত'Image Credit source: PTI

Aug 30, 2024 | 8:41 AM

নয়া দিল্লি: চিনের লাল ফৌজ হোক কিংবা পাকিস্তানি সেনা বাহিনী, কেঁপে গেল সবাই। এবার সাগর দাপাতে ভারতের হাতে চলে এল জোড়া পারমাণবিক ফলা। বৃহস্পতিবার (২৯ অগস্ট), প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতে ভারতীয় নৌবাহিনীতে মোতায়েন করা হল অরিহন্ত-শ্রেণির দ্বিতীয় সাবমেরিন, ‘আইএনএস অরিঘাত’ (INS Arighat)। ভারতের প্রথম পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন ছিল ‘আইএনএস অরিহন্ত’ (INS Arihant)। ২০০৯ সালে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল এটি। এবার তার সঙ্গে যোগ দিল আইএনএস অরিঘাত। ফলে, সমুদ্রে জলের নীচ থেকে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ভারতের শক্তি একলাফে দ্বিগুণ হয়ে গেল বলা চলে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের মতে, তিন বাহিনীতে ভারতের যে পারমাণবিক শক্তি, তাকে আরও জোরদার করবে আইএনএস অরিঘাত। সেইসঙ্গে পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ভারত উপমহদেশীয় অঞ্চলে কৌশলগত ভারসাম্য এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আইএনএস অরিহন্ত এবং আইএনএস অরিঘাত এই দুই জোড়া পারমাণবিক ফলার উপস্থিতিতে, সহজে ভারতকে ঘাঁটাতে চাইবে না কোনও প্রতিপক্। জাতীয় স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে সক্ষমতা একলাফে অনেকটা বাড়ল জন্য ভারতের। এই মাইলফলক অর্জনে কঠোর পরিশ্রম এবং সমন্বয়ের জন্য ভারতীয় নৌবাহিনী এবং ডিআরডিও-র ভূয়সী প্রশংসা করেন রাজনাথ সিং।

গর্বের মুহূর্ত, সাগরে আইএনএস অরিঘাত

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর ইচ্ছা ছিল ভারতকে পরমাণু অস্ত্রধর রাষ্ট্রগুলির সমকক্ষ করে তোলা। সেই কথা স্মরণ করে রাজনাথ বলেন, “আজ, ভারত একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে। প্রতিরক্ষা সহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের দ্রুত এগোতেই হবে। বিশেষ করে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এটা অপরিহার্য। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি, আমাদের একটা শক্তিশালী সামরিক বাহিনী লাগবে। যাতে আমাদের সৈন্যরা ভারতের মাটিতে তৈরি সেরা মানের অস্ত্র এবং প্ল্যাটফর্মগলি পায়, আমাদের সরকার তার জন্য অভিযানে নেমেছে।”


অরিহন্ত এব অরিহত, দুটি শব্দই সংস্কৃত। প্রথমটির অর্থ শত্রু হত্যাকারী, দ্বিতীয়টির শত্রুর ঘাতক। উন্নততর নকশা ও উৎপাদন প্রযুক্তি, বিশদ গবেষণা, বিশেষ বিশেষ উপকরণের ব্যবহার, জটিল প্রকৌশল এবং অত্যন্ত দক্ষ কারিগরির সম্মিলিত ফল ভারতের এই দ্বিতীয় পারমাণবিক চালিত ব্যালিস্টিক সাবমেরিনটি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, এর ধারণা থেকে নকশা, নির্মাণ এবং একীভূত করা – সবটাই হয়েছে সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে। এতে যেসকল সিস্টেম এবং অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তাও সবই খাঁটি দেশি। দুটি সাবমেরিন থেকেই দূরপাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা যায়।

শিগগিরই অরিহন্ত এবং অরিঘাতের সঙ্গে অরিহন্ত শ্রেণির তৃতীয় সাবমেরিনকে যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে ভারত। সেই ক্ষেত্রে ভারতের হাত এসে যাবে পারমাণবিক ত্রিফলা। তবে, সেখানেই থামবে না ভারত। সরকারের লক্ষ্য অন্তত পাঁচটি অরিহন্ত শ্রেণীর সাবমেরিন এবং আরও ছয়টি পারমাণবিক আক্রমণকারী সাবমেরিন তৈরি করা।

আরও খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Tv9 বাংলা অ্যাপ (Android/ iOs)

Follow Us