Jaipur Case: শুধু মা নয়., সরকারি চাকরির জন্য বাবাকেও ‘খুন’ করেছিল আয়ুষী? জয়পুরকাণ্ডে বড় তথ্য

Jaipur Crime Update: সরকারি চাকরির জন্য কি বাবাকেও খুন করেছিল আয়ুষী? সেই বিষয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন আয়ুষীর মামা রাকেশ শর্মা। তাঁর অভিযোগ, গত বছর ব্রেন স্ট্রোক হওয়ার পর তাঁর জামাইবাবু বিজয় শর্মাকে পরিবারের অজান্তে একটি অজ্ঞাত হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন আয়ুষী ও বলরাম। তারপর কী ঘটে?

Jaipur Case: শুধু মা নয়., সরকারি চাকরির জন্য বাবাকেও খুন করেছিল আয়ুষী? জয়পুরকাণ্ডে বড় তথ্য
আয়ুষী ও তাঁর মাImage Credit source: x

Jul 11, 2026 | 2:13 PM

জয়পুর: সরকারি চাকরির জন্য মাকে খুনের অভিযোগ। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে জয়পুরের আইনের ছাত্রীকে। এবার আরও বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল তার বিরুদ্ধে। বাবাকেও নাকি ছক কষে খুন করেছিল। এমনই অভিযোগ ছাত্রীর মামার। তাঁর দাবি, গত বছর বাবার মৃত্যুর পিছনেও ভাগ্নির হাত থাকতে পারে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সরকারি চাকরির জন্য মা-কে খুন

সম্প্রতি, রাজস্থানের জয়পুরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। ৩ জুলাই দুর্ঘটনা সুপারি কিলার দিয়ে মা নীরজ শর্মাকে খুন করার অভিযোগ ওঠে কন্যা আয়ুষীর বিরুদ্ধে। যদিও, খুনের ঘটনাটি দুর্ঘটনা বলে সাজানোর চেষ্টা করে সে। ছোট ছেলেকে কোচিং সেন্টারে পৌঁছে বাড়ি ফেরার পথে দ্রুতগতির একটি গাড়ি নীরজ শর্মাকে ধাক্কা দেয় বলে অভিযোগ। পরে তদন্তে উঠে আসে, এটি কোনও দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত খুন। একা আয়ুষী নয়, খুনের ষড়যন্ত্রে তার সঙ্গে ছিল খুড়তুতো ভাই বলরামও। পুলিশ সূত্রে খূবর, বলরামের সঙ্গে আয়ুষীর একটা সম্পর্কও ছিল।

পুলিশের দাবি, আয়ুষী তাঁর খুড়তুতো ভাই বলরামের সাহায্যে ৭ লক্ষ টাকা দিয়ে সুপারি কিলার ভাড়া করেছিল। তদন্তে উঠে আসে, মায়ের সরকারি চাকরির দিকে নজর ছিল তার। আয়ুষী নিজে একটি কলেজের শেষ বর্ষের এলএলবির ছাত্রী। তার বাবা বিজয় শর্মা জয়পুর আদালতের কোর্ট মাস্টার ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর চাকরি পান স্ত্রী অর্থাৎ আয়ুষীর মা নীরজ। পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, মায়ের সরকারি চাকরির জন্যই তাকে খুন করেছে সে। একইসঙ্গে খুনের আরও একটা লক্ষ্য ছিল পরিবারের সম্পত্তির উপর।

বাবাকেও খুনের অভিযোগ

সরকারি চাকরির জন্য কি বাবাকেও খুন করেছিল আয়ুষী? সেই বিষয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন আয়ুষীর মামা রাকেশ শর্মা। তাঁর অভিযোগ, গত বছর ব্রেন স্ট্রোক হওয়ার পর তাঁর জামাইবাবু বিজয় শর্মাকে পরিবারের অজান্তে একটি অজ্ঞাত হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন আয়ুষী ও বলরাম। তিন মাস ধরে পরিবারের সদস্যদের তাঁর চিকিৎসার বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। পরে বিজয় শর্মাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হলে চিকিৎসকরা জানান, তাঁর শরীরের একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে পড়েছে। রাকেশ শর্মার অভিযোগ, আয়ুষী ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর বাবার ফিডিং টিউব খুলে দিয়েছিল। যার জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে। হেফাজতে থাকা আয়ুষীকেও এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সম্পত্তি ভাগের ছক?

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, আয়ুষীর পাশাপাশি বলরাম এবং বলরামের বাবা মোহন মূল ষড়যন্ত্রকারী। অভিযোগ, পরিবারের সম্পত্তি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল তাদের। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, আয়ুষী আগে মায়ের উপর হামলাও করেছিল। পরে তিনি খুড়তুতো ভাই বলরাম ও কাকা মোহনের বাড়িতে থাকত। এই মামলায় আয়ুষীর পাশাপাশি পাঁচজন অভিযুক্ত সুপারি কিলারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক বলরামের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

Follow Us