ভাঙা পায়ে প্লাস্টারের বদলে বাঁধা কার্ডবোর্ড! সরকারি হাসপাতালে ৫ দিন এভাবেই পড়ে রইলেন যুবক

Medical Negligence: মুকেশ কুমার নামক এক যুবকের বাইক দুর্ঘটনায় পা ভেঙে যায় গত ৭ জুন। এরপর তিনি মিনাপুরের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান চিকিৎসার জন্য। সেখানে চিকিৎসকরা জানান, তাঁর পা ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু প্লাস্টার করার বদলে, তাঁর পায়ে কার্ডবোর্ড আটকে গজ দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়। 

ভাঙা পায়ে প্লাস্টারের বদলে বাঁধা কার্ডবোর্ড! সরকারি হাসপাতালে ৫ দিন এভাবেই পড়ে রইলেন যুবক
ভাঙা পায়ে প্লাস্টারের বদলে কার্ডবোর্ড বাধা।Image Credit source: Twitter

|

Jun 14, 2024 | 10:46 AM

পটনা: বাইক থেকে পড়ে গিয়ে পা ভেঙেছে। ছুটেছিলেন হাসপাতালে। চিকিৎসক প্লাস্টার করার বদলে কার্ডবোর্ডের সঙ্গে কাপড় বেঁধে ফেলে রাখলেন। সরকারি  হাসপাতালে এমন চিকিৎসা! বাধ্য হয়েই অন্য হাসপাতালে গিয়েছিলেন যুবক। সেখানেও চিকিৎসকরা তাঁর পা থেকে খুলল না কার্ডবোর্ড।

চিকিৎসায় চরম গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে বিহারের মুজাফফরপুরে। সেখানে মুকেশ কুমার নামক এক যুবকের বাইক দুর্ঘটনায় পা ভেঙে যায় গত ৭ জুন। এরপর তিনি মিনাপুরের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান চিকিৎসার জন্য। সেখানে চিকিৎসকরা জানান, তাঁর পা ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু প্লাস্টার করার বদলে, তাঁর পায়ে কার্ডবোর্ড আটকে গজ দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়।

পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য শ্রীকৃষ্ণ মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেও চিকিৎসকরা তাঁর পা থেকে কার্ডবোর্ড খোলেননি। এভাবেই ৭ জুন থেকে ১১ জুন চিকিৎসা চলে।

যুবকের পরিবারের সদস্যরা এরপর চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ জানান। এরপরই জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক সঠিক চিকিৎসার নির্দেশ দেন।  হাসপাতালের সুপারিন্টেন্ডেন্ট ডঃ বিভা এ প্রসঙ্গে বলেন, “শনিবার মীনাপুর থেকে এসেছিলেন। তাঁর ভাঙা পায়ে প্লাস্টারের বদলে কার্ডবোর্ড দিয়ে কাস্ট লাগানো ছিল। অর্থোপেডিক বিভাগের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সমস্ত পরীক্ষার পর ভাঙা পায়ে স্ল্যাব লাগানো হবে। কীভাবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্লাস্টারের বদলে কার্ডবোর্ড ব্যবহার করা হল, তার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি আমি।”

Follow Us