
নয়া দিল্লি: মেটা (Meta)-কে নোটিস ধরাল কেন্দ্রীয় সরকার। ইন্সটাগ্রামে (Instagram) শিশুদের নিয়ে আপত্তিকর বিজ্ঞাপন প্রচারের অভিযোগ শনিবারই মেটার কাছে জবাবদিহি চাওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রের তরফে আরও কড়া নির্দেশ দেওয়া হল।
সূত্রের খবর, ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের (MeitY) তরফে শনিবারই ইন্সটাগ্রামকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শিশুদের নিয়ে যৌনতা ও হেনস্থা সংক্রান্ত সমস্ত বিজ্ঞাপন সরিয়ে ফেলতে হবে প্ল্যাটফর্ম থেকে। একইসঙ্গে এই ধরনের আপত্তিজনক কনটেন্ট কীভাবে ব্যবহারকারীদের দেখানো হচ্ছিল, তার ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে ফেসবুক-ইন্সটাগ্রামের মালিক সংস্থা মেটা-কে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
যদি মেটা জবাব দিতে না পারে বা সঠিক তথ্য না জানায়, তবে তথ্য প্রযুক্তি আইন এবং পকসো আইনের অধীনে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেই জানা গিয়েছে। এই ধরনেরর আপত্তিকর কনটেন্ট বা বিজ্ঞাপনের অ্যালগরিথমিক অ্যামপ্লিফিকেশনর বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা করার নির্দেশও দিয়েছে সরকার।
সম্প্রতি বিবিসি-র একটি রিপোর্টে দাবি করা হয় যে মেটা-র রেকমেন্ডেশন অ্যালগরিদমে শিশুদের নিয়ে বিভিন্ন আপত্তিকর ভিডিয়ো দেখানো হচ্ছে। ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামে এই ধরনের বিজ্ঞাপন দেখা গিয়েছে। এদিকে মেটা (Meta)-র বিজ্ঞাপন পলিসিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে তারা কোনও ধরনের নগ্নতা ও যৌন নিগ্রহ সংক্রান্ত ভিডিয়ো কনটেন্ট দেখানো নিষিদ্ধ।
ইন্সটাগ্রামে বেশ কিছু পেইড বিজ্ঞাপন দেখানো হয়েছে, যা আপত্তিকর এবং সেই লিঙ্কে ক্লিক করলে তা সরাসরি টেলিগ্রাম চ্যানেলে নিয়ে যাচ্ছে, যেখানে এই ধরনের ভিডিয়োগুলি বিক্রি করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকার মেটা-র কাছে জানতে চেয়েছে, কীভাবে এই ধরনের বিজ্ঞাপন ছাড় পেল? এই অভিযোগ ওঠার পরই বা মেটা কী পদক্ষেপ করেছে? ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা আটকানোর জন্য কী সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
সরকারি সূত্রে খবর, যদি এই অভিযোগ সত্যি হয়, তাহলে মেটা-কে দায়ী করা হবে এই ধরনের বিজ্ঞাপনের জন্য। বিবিসি-র রিপোর্টের পর মেটা (Meta) জানিয়েছে, এই ধরনের ঘটনায় জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে তাদের। এআই প্রযুক্তি (AI Technology) ব্যবহার করা হয় হিংস্র ও আপত্তিকর ভিডিয়ো চিহ্নিত করার জন্য।