
নয়া দিল্লি: ট্রেনে (Train News) যেতে যেতে ঘুমিয়ে পড়েন অনেকে। কিন্তু, ঘুমের কারণে অনেক সময় গন্তব্য স্টেশনও মিস হয়ে যায়। ঘুম যখন ভাঙে, তখন দেখা যায় আপনার গন্তব্য স্টেশন (Train Station Missed) পেরিয়ে ছুটছে ট্রেন। এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে অনেককেই। বা ভবিষ্যতেও হয়তো অনেককে এই ধরনের সমস্যায় পড়তে হতে পারে। সেক্ষেত্রে কী করবেন? প্রথম প্রশ্ন আসবে, আগের টিকিটেই কি উল্টো দিকের ট্রেন ধরে গন্তব্যে ফেরা যাবে? উত্তর হল না। গন্তব্যে ফেরার জন্য নতুন ব্যবস্থা করতে হবে।
ঘুম ভাঙার পর যখন বুঝতে পারবেন যে গন্তব্য পেরিয়ে গিয়েছে, সেইসময় আতঙ্কিত না হয়ে পরবর্তী সুবিধাজনক স্টেশনে নেমে পড়ুন। সেখান থেকে আপনার গন্তব্যের দিকে কোন ট্রেন রয়েছে, তা খোঁজ নিন। কোন ট্রেনে ফিরছেন এবং কোন শ্রেণিতে যাত্রা করছেন, তার উপর নির্ভর করে নতুন টিকিট কাটতে হতে পারে।
ট্রেনেই থেকে যাওয়া বা পুরনো টিকিট দেখিয়ে উল্টো দিকের যাত্রা করা ঠিক নয়। টিকিট ছাড়া যাত্রা করলে রেলের নিয়ম অনুযায়ী ভাড়া ও জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে।
ধরা যাক, আপনি দিল্লি থেকে লখনউ যাচ্ছেন। ঘুমিয়ে পড়ার কারণে লখনউ স্টেশন পেরিয়ে গেলেন। সেক্ষেত্রে পরের স্টেশনে নেমে সেই একই টিকিট দেখিয়ে লখনউয়ের দিকে ফিরে আসা যাবে, এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। ফেরার যাত্রার জন্য নতুন টিকিটের প্রয়োজন হবে।
আরও একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে। স্টেশন পেরিয়ে গেলে বিষয়টি TTE বা রেলকর্মীদের জানাতে পারেন। পরের কোন স্টেশনে নামবেন, সেখান থেকে কীভাবে গন্তব্যে ফিরবেন বা টিকিটের ক্ষেত্রে কী করতে হবে, এই বিষয়ে তাঁরা সাহায্য করতে পারেন। ত
নিজের স্টেশন পেরিয়ে গিয়েছে বলে ইমার্জেন্সি চেইন টানবেন না। জরুরি পরিস্থিতিতেই ট্রেনের চেইন টানা হয়। তার মধ্যে স্টেশন মিস করার বিষয়টি পড়ে না। অকারণে বা নিয়মবহির্ভূতভাবে চেইন টানলে রেলের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
সমস্যা এড়ানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হল ঘুমানোর আগে মোবাইলে অ্যালার্ম দিয়ে রাখা। ট্রেনের নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগে অ্যালার্ম সেট করুন। প্রয়োজনে সহযাত্রী বা কোচ অ্যাটেনডেন্টকেও জানিয়ে রাখতে পারেন।