
পুণে: ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টিতে বড় বদল। এনসিপির রাশ শরদ পওয়ারের হাতে থাকলেও, দল সামলানোর গুরুদায়িত্ব তিনি ভাগ করে দিয়েছেন কন্যা সুপ্রিয়া সুলে ও প্রবীণ নেতা প্রফুল পটেলের মধ্যে। এনসিপির কার্যকরী সভাপতি হয়েছেন এই দুইজন। শনিবার এনসিপির ২৫ তম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানেই এই ঘোষণা করেছেন খোদ শরদ পওয়ার। সুপ্রিয়া সুলে, প্রফুল পটেল দায়িত্ব পেলেও ব্রাত্য রয়ে গিয়েছেন শরদ পওয়ারের ভাইপো অজিত পওয়ার। কাকার এই সিদ্ধান্তে বেজায় চটেছেন অজিত পওয়ার, এমনটাই জল্পনা শোনা যাচ্ছে বিগত দুইদিন ধরে। রবিবার এই জল্পনা কার্যত উড়িয়ে দিলেন সুপ্রিয়া সুলে। তিনি জানান, এনসিপির কার্যকরী সভাপতি হিসাবে পদোন্নতি হওয়ার কারণে অজিত পওয়ার অখুশি হয়েছেন, এটা সম্পূর্ণরূপে গুজব।
এনসিপির প্রতিষ্ঠা দিবসে সুপ্রিয়া সুলেকে কেবল দলের কার্যকরী সভাপতিই নয়, পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের পর্যবেক্ষক বা ইনচার্জ হিসাবেও ঘোষণা করেন শরদ পওয়ার। এতদিন ধরে এই দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন অজিত পওয়ার। হাত থেকে দায়িত্ব কেড়ে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন অজিত পওয়ার, এমনটাই জল্পনা শোনা যায়। ওই দিনের অনুষ্ঠান মাঝপথে ছেড়ে বেরিয়ে যেতেও দেখা যায় অজিত পওয়ারকে।
রবিবার সংবাদসংস্থা এএনআই-র মুখোমুখি হয়ে সুপ্রিয়া সুলে বলেন, “কে বলেছেন ও(অজিত পওয়ার) অখুশি? কেউ ওঁর কাছে জানতে চেয়েছে? এগুলো সবই জল্পনা।”
অন্য়দিকে, শনিবার অজিত পওয়ারও দলের উপরে অসন্তুষ্ট হওয়ার জল্পনা উড়িয়ে দেন। তিনিও জানান, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাতে তিনি খুশি। অজিত পওয়ার বলেন, “বেশ কিছু রিপোর্টে বলা হচ্ছে যে আমায় দায়িত্ব না দেওয়ার কারণে আমি নাকি অখুশি। এটা সম্পূর্ণ ভুল। যখন শরদ পওয়ার ইস্তফা দিয়েছিলেন, তখন কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই সময়ই দুটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। প্রথমটি ছিল শরদ পওয়ারের ইস্তফা প্রত্যাহার এবং দ্বিতীয়টি ছিল সুপ্রিয়া সুলেকে কার্যকরী সভাপতি হিসাবে নিয়োগ করা হবে। শরদ পওয়ার যাতে ইস্তফা প্রত্যাহার করেন, তখন সকলে সেই বিষয়েই নজর দিচ্ছিলেন।”