
নয়া দিল্লি: ককরোচদের সংসদ অভিযানে আন্দোলনকারীদের উপরে চলেছিল ছররা গুলি। দিল্লি পুলিশ অস্বীকার করলেও, এবার ছররা গুলি চালানোর কথা স্বীকার করে নিল সিআরপিএফ। জানা গেল, আন্দোলনকারী ছাত্রদের উদ্দেশে ছররা চালিয়েছিলেন একজন র্যাফ (RAF) জওয়ান। সিআরপিএফ (CRPF)-এর অন্তর্তদন্তে উঠে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য।
গত ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী ও দেশের যুবরা এই অভিযানে অংশ নিয়েছিল। আন্দোলনকারীদের সংসদের সামনে আটকাতে পুলিশ ব্য়াপক লাঠিচার্জ করে। অনেক আন্দোলনকারী আহত হয়। অভিযোগ ওঠে, ছররা গুলিও চালানো হয়েছিল আন্দোলনকারীদের উপরে। যদিও প্রথমে এই অভিযোগ মানতে চায়নি কেউ। তবে ছররার গুলি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি কয়েকজন। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীও আহত এক আন্দোলনকারীর আঘাত প্রকাশ্যে দেখান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও চিঠি লিখে প্রশ্ন করেছেন যে ছররা গুলি চালানোর অনুমতি কে দিয়েছিল?
এবার সিআরপিএফের অন্তর্তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে জানা গিয়েছে, সংসদ অভিযানের সময় কনৌট প্লেস এলাকায় মোতায়েন থাকা এক র্যাফ জওয়ান পেলেট গান থেকে অন্তত সাত রাউন্ড গুলি চালিয়েছেন।এর মধ্যে পাঁচ রাউন্ড ছোড়া হয়েছে বিক্ষোভকারীদের উপর। দুই রাউন্ড ফায়ার হয়েছে রাস্তায়। কোম্পানির কম্যান্ডারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েই তিনি ছররা গুলি চালিয়েছিলেন বলে দাবি।
সংসদ অভিযানে র্যাফ (RAF) এবং সিআরপিএফ (CRPF)-এর ভূমিকা নিয়ে ২২ জুলাই একটি অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা বৈঠক করে সিআরপিএফ অফিসাররা। সেই পর্যালোচনা বৈঠক থেকে উঠে আসে এই তথ্য।
বিক্ষোভ মিছিলে ছররা গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনজন। তাঁরা হলেন- গুরগাঁওয়ে কর্মরত ২৫ বছরের ইরশাদ শেখ, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ বছরের ছাত্র সাহিল লোচাব এবং আউটলুক ম্যাগাজিনের ২৮ বছর বয়সী এক সাংবাদিক।