
নয়া দিল্লি: মুখোমুখি হবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাহুল গান্ধী? এক টেবিলে বসবেন দুই নেতা? কেমন হবে সেই বিতর্ক? এই নিয়েই বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে মুখোমুখি বিতর্কে বসার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। এদিকে, রাহুল বিতর্কে বসতে রাজি হতেই আক্রমণ উড়ে আসতে শুরু করেছে বিজেপির তরফে থেকে। আমেঠীর প্রার্থী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি রাহুলকে খোঁচা দিয়ে প্রশ্ন করলেন, “উনি কি প্রধানমন্ত্রীর মুখ?”
সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মদন বি লকুর, দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি অজিত পি শাহ এবং প্রাক্তন এডিটর তথা সাংবাদিক এন রামের তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে চলতি লোকসভা নির্বাচন নিয়ে মুখোমুখি বিতর্কে বসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এ বিষয়ে গত ৯ মে দুই নেতার কাছেই চিঠি পাঠানো হয়।
শনিবার পাল্টা চিঠি লিখে প্রস্তাব গ্রহণ করেন রাহুল গান্ধী। তিনি জানান, নিজে অথবা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখোমুখি বিতর্কে বসতে প্রস্তুত। রাহুল বলেন, “এই ধরনের আলোচনা, বিতর্ক সাধারণ মানুষকে দুই নেতারই দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে সাহায্য করবে। এবং এর প্রেক্ষিতে তারা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।”
এরপরই সবাই প্রশ্ন করেন, প্রধানমন্ত্রীও কি এই বিতর্কে বসতে রাজি? বিজেপির তরফে প্রধানমন্ত্রী বিতর্কে অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য না করা হলেও, বিজেপি মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, “কোন পদাধিকার বলে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিতর্কে বসবেন? উনি কংগ্রেস সভাপতিও নন। শুধুমাত্র একজন সাংসদ।”
এরপর কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্য়াণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিও রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে বলেন, “প্রথমত, যে ব্যক্তির নিজের তথাকথিত দুর্গ থেকে একজন সাধারণ বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে লড়াই করার সাহস নেই, তাঁর নিজেকে জাহির করা থেকে বিরত থাকা উচিত। দ্বিতীয়ত, প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে বসে কে বিতর্কসভা করতে চাইছেন? আমি ওঁর কাছে জানতে চাই যে উনি কি ইন্ডিয়া জোটের প্রধানমন্ত্রীর মুখ?”