
নয়া দিল্লি: সব জল্পনার অবসান। ১৮তম লোকসভায় প্রধান বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন রাহুল গান্ধীই। মঙ্গলবার রাতে, এই কথা জানিয়েছেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপাল। প্রসঙ্গত, বুধবারই (২৬ জুন), ১৮তম লোকসভা সাক্ষী হবে এক বড় লড়াইয়ের। বিরোধী এবং শাসক জোটের মধ্যে বোটাভুটি হবে লোকসভার অধ্যক্ষ পদ নিয়ে। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই এই সিদ্ধান্ত জানানো হল। বেনুগোপাল বলেছেন, “সিপিপি চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধী প্রোটেম স্পিকার ভর্তৃহরি মাহতাবকে একটি চিঠি লিখে লোকসভার বিরোধী দল নেতা হিসাবে রাহুল গান্ধীকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। অন্যান্য পদাধিকারীদের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার আগে, তার আগে, দিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাসভবনে, ইন্ডিয়া জোটের লোকসভার নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন রাহুল। সেই বৈঠকেই তাঁকে লোকসভার প্রধান বিরোধী দলনেতা হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত ৯ জুনই অবশ্য কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে এই বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছিল। তারপর, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার রাহুলের উপরই ছাড়া হয়েছিল। রাহুল গান্ধী সেই সময় জানিয়েছিলেন, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ভাবার জন্য তাঁর কিছুটা সময় দরকার।
এর ফলে, দীর্ঘ কয়েক দুই দশক বাদে, লোকসভার প্রধান বিরোধী দলের নেতা পদটি ফিরে পেল কংগ্রেস। ২০১৪ সালের নির্বাচনে, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার সময় কংগ্রেস মাত্র ৪৪টি আসন জিতেছিল। ২০১৯-এ জিতেছিল ৫২টি আসন। দুইবারই বিজেপির পর, সংসদে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল ছিল কংগ্রেস। কিন্তু, কক্ষে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পাওয়ার মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি। নিয়ম বলছে, লোকসভায় ১০ শতাংশের কম আসন পেলে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা বা প্রদান বিরোধী দলনেতার পদ পাওয়া যায় না। ২০২৪-এ অবশ্য কংগ্রেস ৯৯টি আসনে জয় পেয়েছে।