
কলকাতা: ‘তৃণমূল কারও বাবার সম্পত্তি নয়। কারও মর্জির উপর গণতন্ত্র চলতে পারে না।’ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। উপনির্বাচনে কোন শিবিরের হাতে দলের নাম ও প্রতীক থাকবে, তা ঠিক করতেই শনিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে হাজির হয় কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। প্রথমে ঋতব্রতদের সঙ্গে বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বৈঠকের পরই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন, তাঁরা তাঁদের বক্তব্য নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন। তাঁরা আশাবাদী, কমিশন তাঁদের কথা শুনবে। তবে, প্রতীক নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি বলেই জানিয়েছেন ঋতব্রত (Ritabrata Banerjee)।
শনিবার ঋতব্রতদের তরফে কমিশনের শুনানিতে ছিলেন ঋতব্রত, আখরুজ্জামান, অরূপ ও চন্দ্রিমা এবং সঙ্গে তাঁদের আইনজীবী। ঋতব্রত জানিয়েছেন, কমিশনকে সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, কমিশনের তরফে আরও কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। আজই সব নথি জমা দেওয়া হবে। এদিন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেছেন ঋতব্রত। তিনি বলেন, “না খাতা, না বহি, যো ড. মমতা ব্যানার্জী কহে ওহি সহি, এটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় চলতে পারে না। তৃণমূল কংগ্রেস পরিবারভিত্তিক পার্টি নয়। কারও বাবার সম্পত্তি নয়। ব্যক্তিগত মালিকানা নেই। এটা তৃণমূল স্তরের কর্মীদের পার্টি। আমরা আমাদের পয়েন্ট তথ্যের ভিত্তিতে জানিয়েছি। ইচ্ছার উপর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চলতে পারে না।”
ঋতব্রত আরও জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁরা আশাবাদী। বলেন, “ড. মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয় যে বলে দেব কী হবে। নির্বাচন কমিশনকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আরও বেশ কিছু ডকুমেন্ট চাওয়া হয়েছে, তা আমি এক্ষুনি দিয়ে দেব। কী নির্বাচন কমিশন করবেন, কী করবেন, তা কমিশনের এক্তিয়ার। তাই এটা নিয়ে কথা বলার কিছু নেই।” তবে প্রতীক নিয়ে কোনও কথা হয়নি বলে জানিয়েছেন ঋতব্রত। তিনি বলেন, “আমরা আমাদের বক্তব্য নির্বাচন কমিশনকে বলেছি। ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট কথা হয়েছে। আমরা সন্তুষ্ট। ১৬ তারিখের মধ্যে সিদ্ধান্তের অনুরোধ করেছি। বিকল্প প্রতীক নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।”