Rohtang Pass seller: পাহাড়ে ম্যাগি-চা বিক্রি করে দিনে ১৫ হাজার আয়! ভাইরাল রোটাং পাসের ভিডিয়ো

Rohtang Pass Maggi seller: ভিডিওটি সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে আলোচনা। পাহাড়ের রাস্তার ধারে ছোট্ট দোকান থেকেও যে এমন আয় সম্ভব, তা দেখে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তবে অনেকে মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৪-১৫ হাজার টাকা দৈনিক বিক্রি মানেই কিন্তু সেই পরিমাণ লাভ নয়। ম্যাগি, চা, ডিমের উপকরণ কেনা, পরিবহনের খরচ এবং প্রতিকূল আবহাওয়ায় পাহাড়ের উঁচু এলাকায় দোকান চালানোর মতো নানা খরচও রয়েছে।

Rohtang Pass seller: পাহাড়ে ম্যাগি-চা বিক্রি করে দিনে ১৫ হাজার আয়! ভাইরাল রোটাং পাসের ভিডিয়ো
ম্যাগি বিক্রেতাImage Credit source: Tv9 Bangla

Nov 02, 2026 | 5:40 PM

হিমাচল প্রদেশ: এক প্লেট ম্যাগি আর এক কাপ চা। পাহাড়ের কোলে ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়ায় এর স্বাদই আলাদা। বলা ভালো কাঞ্জনজঙ্ঘা, বরফ, পাইন ফরেস্টের পাশাপাশি ম্যাগি (Maggie) ও চা-ও পাহাড়ের পর্যটকদের কাছে কিন্তু প্রধান আকর্ষণের। তবে, জানেন কি এই ম্যাগি আর চা বিক্রি করে কত টাকা আয় করেন ব্যবসায়ীরা? টাকার অঙ্কটা কিন্তু অনেকেরই ধারণার বাইরে। সম্প্রতি, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। সেখানেই রোটাং পাসের এক ম্যাগি বিক্রেতার (Maggie Selling in Ru আয় শুনে তাজ্জব নেটদুনিয়া।

 কত টাকা আয় হয়?

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়োটি পোস্ট করেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হর্ষ চৌহান। রোটাং পাসে ঘুরতে গিয়ে এক ম্যাগি বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সেখানেই হর্ষকে বলতে শোনা যায়, “অফ সিজনে কত রোজগার হয়, সেটাই বলুন।” উত্তরে দোকানি জানান, প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ প্লেট ম্যাগি বিক্রি করেন তিনি। প্রতি প্লেটের দাম ১০০ টাকা। অর্থাৎ, শুধু ম্যাগি বিক্রি করেই প্রতিদিন প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা আসে তাঁর।

তবে আয়ের অঙ্ক এখানেই শেষ নয়। ম্যাগির পাশাপাশি চাও বিক্রি করেন ওই দোকানি। প্রতিদিন প্রায় ২০০ কাপ চা বিক্রি হয় তাঁর দোকানে। প্রতি কাপ চায়ের দাম ৪০ টাকা। অর্থাৎ, চা বিক্রি থেকেই দৈনিক প্রায় ৮ হাজার টাকা আয় হয়। এর পাশাপাশি আলাদা করে ডিমও বিক্রি করেন তিনি। সব মিলিয়ে প্রতিদিনের মোট বিক্রির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা।

ভাইরাল ভিডিয়ো

ভিডিয়োর ক্যাপশনে হর্ষ জানিয়েছেন, পর্যটকদের ভিড় এখনও সেভাবে শুরু না হওয়া সত্ত্বেও দোকানির এই বিক্রির পরিমাণ বেশ অবাক করার মতো। পর্যটনের ভরা মরশুমে তাঁর ব্যবসা কতটা বাড়তে পারে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

ভিডিওটি সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে আলোচনা। পাহাড়ের রাস্তার ধারে ছোট্ট দোকান থেকেও যে এমন আয় সম্ভব, তা দেখে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তবে অনেকে মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৪-১৫ হাজার টাকা দৈনিক বিক্রি মানেই কিন্তু সেই পরিমাণ লাভ নয়। ম্যাগি, চা, ডিমের উপকরণ কেনা, পরিবহনের খরচ এবং প্রতিকূল আবহাওয়ায় পাহাড়ের উঁচু এলাকায় দোকান চালানোর মতো নানা খরচও রয়েছে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us