
নাগপুর: স্বাধীনতা দিবসে দেশকে খুশি, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করার কথা বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত। তবেই ভারত ‘বিশ্বগুরু’ হওয়ার লক্ষ্য পূরণ করতে পারবে। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করলেন যে বহু মানুষ ও শক্তি ভারতের বিশ্বগুরু হওয়ার লক্ষ্যের বিরুদ্ধে কাজ করছে।
৮০ তম স্বাধীনতা দিবসে নাগপুরে আরএসএসের সদর দফতরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে তিনি দেশবাসীর কাছে অনুরোধ করেন যে দেশের নীতির সঙ্গে কোনও সমঝোতা না করে যেন দেশকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে।
মোহন ভাগবত বলেন, “স্বাধীনতা দিবস সকল ভারতীয়ের কাছে গর্ব ও উৎসবের দিন। যদি ১৮৫৭ সাল থেকে স্বাধীনতা সংগ্রাম হিসাব করা হয়, টানা ৯০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমাদের পূর্বপুরুষরা নানা ত্যাগ ও আত্মবলিদানের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছেন। সেই ত্যাগ ও আত্মবলিদানের গৌরব আমাদের হৃদয়ে রয়েছে। কিন্তু এর পাশাপাশি আমাদের মনে এই উপলব্ধিও থাকা প্রয়োজন যে এত ত্যাগ ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা যে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, তা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।”
“स्वतंत्रता दिवस हम सबके लिए गौरव का और उत्सव का विषय़ है। 1857 से गिनेंगे तो लगातार 90 वर्ष अनेक प्रकार का त्याग बलिदान देकर हमारे पूर्वजों ने स्वातंत्र्य की प्राप्ति की। उस त्याग और बलिदान का गौरव हमारे मन में है। लेकिन इसके साथ एक भान मन में चाहिए, कि इतना त्याग-परिश्रम करके… pic.twitter.com/1s5t2Jrz3C
— RSS (@RSSorg) August 15, 2026
সাভারকরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সাভারকরজি বলেছিলেন ‘যা কিছু উৎকৃষ্ট, মহৎ, উন্নত এবং পরম মধুর- হে ভগবতী স্বাধীনতা, সেসবই তোমার সহচর হোক।’ অর্থাৎ স্বাধীনতার ফলে যা কিছু উৎকৃষ্ট, মহৎ, উন্নত ও পরম মধুর, তার সবটাই যেন আমাদের দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই প্রয়োজন পূরণ করাও আমাদের দায়িত্ব।”
জাতীয় পতাকা ও এর রঙ দেশের সকল নাগরিকদের জন্য বিশেষ বার্তা দেয়, তাই প্রতি নাগরিকের উচিত স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সময় সেই গুরুত্বকে মাথায় রাখা। ভাগবত বলেন, “একটি দেশের স্বাধীনতা কঠোর পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত হয়। স্বাধীনতা অর্জনের পরও এই পরিশ্রম ও ত্যাগের মানসিকতাই দেশকে সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করে তুলতে সাহায্য করে। গেরুয়া রং মানুষকে আত্মত্যাগ ও নিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথা মনে করিয়ে দেয়।”
ভাগবত আরও বলেন, “জাতীয় পতাকার সাদা রং পবিত্রতার প্রতীক। এটি মানুষকে শৃঙ্খলা মেনে চলতে এবং নিজেদের আচরণ সেই শৃঙ্খলা অনুযায়ী হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পর্যালোচনা করতে অনুপ্রাণিত করে। এই সমস্ত প্রচেষ্টার ফল হল সমৃদ্ধি। জাতীয় পতাকার সবুজ রং সেই সমৃদ্ধিরই প্রতীক।”