
নয়া দিল্লি ও বালি: মাত্র এক মাস হয়েছে মস্তিস্কে অস্ত্রোপচারের। তারপর আবার পুরোদমে নিজের বিশাল কর্মযজ্ঞে নেমে পড়েছেন সদগুরু। শুক্রবার ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে গিয়ে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন। আর তারপর আবার বেরিয়ে পড়েছেন দশ দিনের ইন্দোনেশিয়া সফরে। ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে যে আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক সেতু রয়েছে, সেটাই আরও ভাল করে অনুধাবন করতে বালিতে পৌঁছেছেন তিনি। সদগুরুকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন মন্ত্রী স্যান্ডিয়াগা উনো। উপস্থিত ছিলেন বালিতে ভারতের কনসুল জেনারেল শশাঙ্ক বিক্রমও।
দশ দিনের ইন্দোনেশিয়া সফরে সেখানকার বিভিন্ন আধ্যাত্মিক স্থান পরিদর্শন করবেন ইশা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদগুরু। এরপর সেখান থেকে কম্বোডিয়ার উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি। ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন মন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতায় দুই দেশের ঐতিহাসিক যোগসূত্রের কথা বোঝাতে গিয়ে সদগুরু ওড়িশার ‘বালি যাত্রা’র কথা তুলে ধরেন। এটি হল ওড়িশার একটি বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান যা, বালির সঙ্গে ওড়িশার মানুষের অতীতের যোগসূত্রের দিকে ইঙ্গিত করে বলেই মনে করেন তিনি। এই বার্ষিক অনুষ্ঠানের সময়, ওড়িশার মানুষ তাঁদের পূর্বপুরুষদের বালির উদ্দেশে সমুদ্রযাত্রাকে স্মরণ করে জলে রঙ-বেরঙের প্রতীকী নৌকা, কলার ভেলা ভাসিয়ে দেন।
ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন আধ্যাত্মিক স্থানগুলি যেভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়, তারও প্রশংসা করেন সদগুরু। তাঁর মতে, ইন্দোনেশিয়ার প্রতি বিশ্ববাসীকে আকৃষ্ট করার জন্য এটি একটি ‘সঠিক কারণ’ হতে পারে। সদগুরু তাঁর দশ দিনের ইন্দোনেশিয়া সফরকালে বেসাকি, তির্তা এমপুল মন্দির-সহ আরও অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থানগুলি পরিদর্শন করবেন। সংস্কৃতি ও মন্দিরের নেপথ্যের বিজ্ঞানের খোঁজ করবেন তিনি।