IAS Sanjay Khatri Love Story: অভিযোগ জানাতে এসেছিলেন, শেষমেশ ওই মহিলাকেই বিয়ে করতে হল জেলাশাসককে! কী এমন ঘটল দফতরের চার দেওয়ালের অন্দরে?
IAS Sanjay Khatri Love Story: আর তার সেই বৈঠকেই একদিন হাজির হন বিজয়লক্ষ্মী নামে এক তরুণী। অভিযোগ দায়ের করতেই জেলাশাসকের কাছে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু অভিযোগ তো দায়ের হয়েছিল, তার পাশাপাশি জেগে উঠেছিল আরও একটি বিষয়।

লখনউ: ‘লভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট!’, প্রথম দেখায় প্রেম হয়তো এটাকেই বলে। জেলাশাসকের কাছে মহিলা গিয়েছিলেন অভিযোগ দায়ের করতে। কিন্তু কী নিয়ে ফিরলেন? সমস্যার সুরাহা তো হলই। তার পাশাপাশি পেলেন প্রেম প্রস্তাব।
ঘটনা উত্তরপ্রদেশের গাজীপুরের। জেলাশাসক থাকাকালীন প্রথম জীবনে জন সমাবেদ নামে এলাকায় একটি সাপ্তাহিক বৈঠক রাখতেন সঞ্জয় খাত্রী। কী হত সেই বৈঠকে? মূলত, সেই দিন জেলার মানুষের সমস্যা শুনতেন তিনি। কারওর জমি বিবাদ, কারওর সাংসারিক, কারওর বাড়িতে জল আসে না, কারওর আবার নলই নেই। এই রকম একাধিক সমস্যার সমাধান সেখানে বসেই করতেন তিনি।
আর তার সেই বৈঠকেই একদিন হাজির হন বিজয়লক্ষ্মী নামে এক তরুণী। অভিযোগ দায়ের করতেই জেলাশাসকের কাছে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু অভিযোগ তো দায়ের হয়েছিল, তার পাশাপাশি জেগে উঠেছিল আরও একটি বিষয়।
উল্লেখ্য, ইউপিএসসি পড়াশোনার সময় থেকেই একে অপরকে চিনতেন বিজয়লক্ষ্মী ও সঞ্জয়। দিল্লিতে একই ব্যাচে সিভিল সার্ভিসের জন্য পড়াশোনা করতেন তাঁরা। কিন্তু সঞ্জয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও, ব্যর্থ হন বিজয়লক্ষ্মী। তিন বারের প্রচেষ্টার পরেও সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সফল হতে পারেননি তিনি। তাই নিরাশ হয়েই নিজের বাড়ি উত্তরপ্রদেশে গাজীপুরেই ফিরে আসেন তিনি।
তবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন সঞ্জয়। গিয়েছিলেন ট্রেনিংয়ে। তারপর প্রশিক্ষণ শেষ হতেই এই গাজীপুরেই যোগ দেন জেলাশাসক হিসাবে। ততদিন পুরনো সেই পরিচিতির কথা অনেকটা ভুলেছেন তিনি। পড়াশোনার চাপে তখন প্রেম হয়নি। ভাল লাগা জাগলেও, চাপের কারণে তা নিয়ে এগোতে পারেনি তারা।
কিন্তু ঈশ্বর হয়তো একটু অন্য পরিকল্পনাই করে রেখেছিলেন। তাই আবার কয়েক বছর এমন পরিস্থিতি আলাপ হয় তাদের। কথায় কথায় উঠে আসে পুরনো গল্প। সেই গল্প গড়ায় প্রেমে। তারপর একেবারে বেঁধে ফেলেন গাঁটছড়া।

