
নয়াদিল্লি: অনাস্থা ভোটাভুটি শেষে বৃহস্পতিবার থেকে ফের লোকসভার দায়িত্ব নিলেন অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। বুধবার তাঁর বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটিতে হেরে গিয়েছেন বিরোধী সাংসদরা। ধ্বনি ভোটে জয় হাসিল করেছে এনডিএ জোট। এরপরেই বৃহস্পতিবার বিড়লার প্রত্যাবর্তন। ফিরেই নিশানায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
লোকসভায় প্রতিটি সাংসদ যাতে নিজের ‘বক্তব্য পেশ’ করতে পারেন, সেই প্রক্রিয়াকেই বরাবর অগ্রাধিকার দিয়েছেন তিনি। সংসদে ফিরেই এই বার্তা দিলেন অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। পাশাপাশি, রাহুল গান্ধীকেও তীব্র ভর্ৎসনা করেন তিনি। অধ্যক্ষের কথায়, “কিছু সদস্য মনে করেন, বিরোধী দলনেতা সংসদেরও ঊর্দ্ধে, তিনি যে কোনও বিষয়ে কথা বলতে পারেন। কিন্তু এটা মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন, এই সংসদে কাউকেই কোন বিশেষ মর্যাদা প্রদান করা হয় না। সংসদ সকল জনপ্রতিনিধির জন্য সমান, তা নিজের নিয়ম মেনেই পরিচালিত হয়।” অধ্যক্ষের সংযোজন, “এই সংসদে প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীদেরও বক্তৃতা পেশ করতে আগাম নোটিস দিতে হয়।”
মঙ্গলবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতের’ অভিযোগ তুলে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেন বিরোধী সাংসদরা। এর আগে বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্বে পেশ করা হয়েছিল অনাস্থা নোটিস, তাতে স্বাক্ষর করেছিলেন ১২০ জন সাংসদ। এরপর অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে পেশ হল প্রস্তাব। সেই ভিত্তিতেই বুধবার অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ১২ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। আর সব শেষে আয়োজন হয় ভোট। যেখানে ধ্বনি ভোটেই বিরোধী সাংসদদের প্রস্তাবকে খারিজ করে এনডিএ জোট।
এই অনাস্থা প্রস্তাব পর্বে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মাইক বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধী সাংসদরা। এদিন সেই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিড়লা বলেন, “আমাদের চেয়ার কারওর মাইক চালু বা বন্ধ করে দেওয়ার সুইচ লাগানো নেই। এই বিষয়টি খোদ বিরোধী সাংসদরাও জানেন। মাইক তখনই চালু হয়, যখন কোনও সাংসদ কথা বলার অনুমতি পান।”