‘মানবিক’ সুপ্রিম কোর্ট, খালি অফিসকে অস্থায়ী কোভিড সেন্টারে রূপান্তরিত করার অনুরোধ বার কাউন্সিলের

সুপ্রিম কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে খালি অফিসগুলিকে অস্থায়ীভাবে কোভিড কেয়ার সেন্টার বা ফিল্ড হাসপাতালে রূপান্তরিত করার জন্য প্রধান বিচারপতি এনভি রমনকে অনুরোধ করা হয়েছে।

মানবিক সুপ্রিম কোর্ট, খালি অফিসকে অস্থায়ী কোভিড সেন্টারে রূপান্তরিত করার অনুরোধ বার কাউন্সিলের
ফাইল চিত্র।

|

Apr 26, 2021 | 12:51 PM

জ্যোতির্ময় রায় : দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন সুপ্রীম কোর্টও। করোনা সংক্রমণের ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সুপ্রিম কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশন (এসসিবিএ) আদালতের নতুন ভবনে আইনজীবীদের জন্য বরাদ্দ খালি অফিসগুলিকে অস্থায়ীভাবে কোভিড কেয়ার সেন্টার বা ফিল্ড হাসপাতালে রূপান্তরিত করার জন্য প্রধান বিচারপতি এনভি রমনকে অনুরোধ জানাল।

এ ছাড়াও করোনা সংক্রমণের বৃদ্ধির কারণে ২৬ এপ্রিল থেকেই সুপ্রিম কোর্টে গ্রীষ্মের ছুটি ঘোষণার জন্যও প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধও করেছে এসসিবিএ। রবিবার প্রধান বিচারপতিকে চিঠি পাঠিয়ে এই অনুরোধ জানায় এসসিবিএ। প্রধান বিচারপতি ছাড়াও এসসিবিএ আদালতের ছয় প্রবীণ বিচারকের কাছেও চিঠির অনুলিপি পাঠিয়েছে। এই বিষয়ে এসসিবিএ সভাপতি বিকাশ সিং চিঠিতে জানান, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সারা দেশে ভয়াবহ আকার ধারণ ধারণ করেছে এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বিগত কয়েকদিনে প্রবীণ আইনজীবীসহ এসসিবিএ-র একাধিক সদস্য করোনা সংক্রমণের শিকার হয়েছেন।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির তরফে জানানো হয়েছে যে, দিল্লি ও তার আশেপাশের অঞ্চলে চিকিৎসা সঙ্কট দেখা দেওয়ায় সমিতির সদস্য ও তাঁদের আত্মীয়-স্বজনরা হাসপাতালে ভর্তি হতে পারছেন না। চিঠিতে বলা হয়েছে যে, সুপ্রিম কোর্ট বর্তমানে অনলাইনে শুনানি করছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লির স্বাস্থ্য পরিষেবা ও পরিকাঠামো বৃদ্ধিতে সুপ্রিম কোর্টের নতুন ভবনটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

সুপ্রিম কোর্টের নতুন ভবনে আইনজীবীদের চেম্বার ব্লককে অস্থায়ীভাবে কোভিড কেয়ার সেন্টার বা ফিল্ড হাসপাতালে রূপান্তর করার জন্য এসসিবিএ প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। অনুমোদন পাওয়া গেলে, সমিতি এই জায়গায় অস্থায়ী কোভিড কেয়ার সেন্টারে তৈরি করার জন্য দিল্লি সরকারকে অনুরোধ করবে।

সমিতির তরফে জানানো হয়, এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে, এই প্রস্তাবিত কোভিড কেয়ার সেন্টারে এসসিবিএ সদস্য ও তাঁদের পরিবার, সুপ্রীম কোর্ট রেজিস্ট্রি ও তাঁদের কর্মীদের পরিবারের চিকিৎসা করা যেতে পারে।সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে দিল্লি সরকার লকডাউনের মেয়াদ এক সপ্তাহের জন্য বাড়িয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতির দিকে তাকালে মনে করা হচ্ছে, মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সংক্রমণ শীর্ষে পৌঁছে যাবে। এ ক্ষেত্রে, লকডাউনের মেয়াদ আরও বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন: দিল্লির পর হরিয়ানা, অক্সিজেনের অভাবে ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাসপাতালে মৃত্যু ১৩ করোনা রোগীর

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us