
নয়া দিল্লি: শীর্ষ আদালতে মান্যতা পেল স্কুল সার্ভিস কমিশনের আর্জি। এসএসসি (SSC)-র দাবি মেনেই ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের সময়সীমা আরও বাড়িয়ে দেওয়া হল। ৩১ অগস্ট পর্যন্ত সময় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। কিন্তু তার মধ্যে নিয়োগ সম্পূর্ণ করা যাচ্ছে না বলে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। সোমবার বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চের নির্দেশ দিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৭-এর ৩১ মে পর্যন্ত করা হচ্ছে।
আগামী বছরের ৩১ মে পর্যন্ত যোগ্য শিক্ষকদের চাকরি বহাল রাখার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে ৮ মাসের জন্য সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছিল। ৮ মাসের সময়সীমার মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে এসএসসি। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে সুপারিশপত্রও দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এরপর আর সময়সীমা বাড়ানো হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করেনি সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে নতুন ওবিসি তালিকার বিষয় নিয়েও কোনও মন্তব্য করেনি শীর্ষ আদালত। শিক্ষকদের তরফে আইনজীবীরা আবেদন জানান, যেহেতু ৩১ মে গ্রীষ্মকালীন ছুটি চলে, তাই জুলাই মাস পর্যন্ত চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের গুরুত্ব দেয়নি কোর্ট। বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সঞ্জীব সচদেবার বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এরপর আর সময়সীমা বাড়ানো হবে না।
এসএসসি-র তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয় ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ সম্পূর্ণ হচ্ছে না ৩১ অগস্টের মধ্যে। এসএসসি-র চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানান, শীর্ষ আদালতে সময় চাইবে স্কুল সার্ভিস কমিশন। যাঁরা সুপারিশপত্র পেয়েছেন তাঁদের নিয়োগ নিয়েও সংশয় থাকছে। জাতিগত সংরক্ষণ নীতি কার্যকরী করতে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে এসএসসি।
আন্দোলনের অন্যতম নেতা মইদুল ইসলাম জানান, আরও ২ মাস সময়সীমা বাড়িয়ে দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছিল, কারণ সরকার সময়ের মধ্যে নিয়োগ করতে পারছে না। তিনি বলেন, “নিয়োগ ধীরগতিতে এগোচ্ছে। নতুন নতুন জটিলতা তৈরি হচ্ছে। কারণ সরকার সময় নেয়, তার মধ্যে নিয়োগ করছে না।”