
ব্যাংকক: শুধু পায়ের তলায় সরষে থাকলেই হবে না। মানতে হবে নিয়মও। ভ্রমণপ্রিয় বাঙালির ফরেইন ট্রিপের বাকেট লিস্টে উপরের দিকেই থাকে থাইল্যান্ড। এবার সেই থাইল্যান্ড ঘোরার জন্য মানতে হবে একগুচ্ছ নিয়ম। নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে ব্য়াংকের ভারতীয় দূতাবাস।তাই থাইল্যান্ডে যাওয়ার আগে কোন কোন বিষয়ে নজরে রাখতে হবে, ভারতীয় নাগরিকদের জন্য কী কী নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে, দেখে নেওয়া যাক
সম্প্রতি, ভারতীয় পর্যটকদের জন্য ৬০ দিনের ভিসা ফ্রি নিয়ম প্রত্যাহার করেছে থাইল্যান্ডের সরকার। অর্থাৎ আগে ভিসা ছাড়াই (visa-free entry) থাইল্যান্ডে ঘোরার সুযোগ ছিল। তবে, এবার সেই সুবিধা আর থাকছে না। সেক্ষেত্রে, চালু করা হয়েছে ভিসা অন অ্যারাইভাল। সেক্ষেত্রে থাইল্যান্ড ট্যুরের আগে নথি ও ভ্রমণ সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছে দূতাবাস।
দূতাবাস জানিয়েছে, ভ্রমণের উদ্দেশ্য অনুযায়ী উপযুক্ত ভিসা সংগ্রহ করতে হবে।
যাঁরা ভিসা অন অ্যারাইভাল (VOA) বা ভিসা ওয়েভার-এর আওতায় থাইল্যান্ডে যাচ্ছেন, তাঁদের প্রত্যেকের কাছে কমপক্ষে ২০ হাজার থাই ভাট (THB) যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫৭,৪৪৬ টাকা। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে পর্যাপ্ত অর্থের প্রমাণও চাইতে পারে।
যাঁরা থাইল্যান্ডে চাকরির অফার পেয়েছেন, তাঁদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস।
চাকরির উদ্দেশ্যে ভিসা ওয়েভার বা ভিসা অন অ্যারাইভাল ব্যবহার করা যাবে না। সেক্ষেত্রে যাত্রার আগেই সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ক ভিসা বা উপযুক্ত ভিসা সংগ্রহ করতে হবে। পর্যটক ভিসায় যদি চাকরির উদ্দেশে থাইল্যান্ডে যান, তাহলে তা সেদেশের অভিবাসন আইন লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে।
যাঁরা থাইল্যান্ড হয়ে অন্য দেশে যাবেন, তাঁদের চূড়ান্ত গন্তব্যের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি, অনওয়ার্ড টিকিট এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসা সঙ্গে রাখতে হবে।
ভারতীয় দূতাবাসের পরামর্শ, থাইল্যান্ডে রওনা হওয়ার আগে সব নথি ও প্রবেশ সংক্রান্ত নিয়ম ভালোভাবে যাচাই করে নিন। এতে ইমিগ্রেশনে কোনও সমস্যা হবে না এবং ভ্রমণও হবে নির্বিঘ্ন।