
নয়া দিল্লি: এনসিপিআই-র ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে নোটিস ইস্যু সুপ্রিম কোর্টের। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় আজ, ২৫ অগস্ট এই নোটিস ইস্যু করে শীর্ষ আদালত। এরপরেই তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া, “খেলা তো সবে শুরু। দেখো না কী হয়…”।
তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়ার পরই ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে অভিযোগ আনেন অভিষেক তথা তৃণমূল কংগ্রেস। লোকসভার স্পিকারের বিরুদ্ধেও নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ আনেন অভিষেক। আজ সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি জানান যে লোকসভার স্পিকারের বক্তব্য না শুনে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। তবে এনসিপিআই-র ২০ জন সাংসদের নামে নোটিস ইস্যু করা হয়েছে।
শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশের পরই অভিষেকের তরফে উপস্থিত আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট আজ ডিসকোয়ালিফিকেশন পিটিশন নিয়ে নোটিস ইস্যু করেছে। ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে নোটিস ইস্য়ু হয়েছে। এই তো সবে খেলা শুরু। বলতে হয়নি কিছুই। আইন আমাদের পক্ষে এতটাই, ২০ জন সাংসদ মিলে এতটাই বেআইনি কাজ করেছে, এখন স্পিকার ফেলে রেখে দিয়েছেন, এটা যে কত বড় অসাংবিধানিক কাজ, তা সবার কাছে স্পষ্ট। দেখো না ২০ জনের কী হয়। স্পিকার কমপ্লেন নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি, তার আগেই আসন বরাদ্দ করে দিলেন, আমাদের আগে সিট দেওয়া হল। কিরেণ রিজিজু ওদের স্বীকৃতি দিয়ে দিল।”
নোটিস জারি হওয়ায় ২০ জন এনসিপিআই সাংসদকে কী করতে হবে, তাও বলে দেন কল্যাণ। বলেন, “নোটিসের জবাব দিতে হবে। আর্গুমেন্ট করতে হবে। যত আইন জানে, বলতে হবে। সবথেকে বড় কথা হল, গণতন্ত্রের জয় হবে। পার্লামেন্ট দিয়ে শুরু করলাম, এরপর বিধানসভায় আসব। চিন্তা করো না, সব ঘুম ভাঙিয়ে দেব।”
অন্যদিকে, এনসিপিআই সাংসদ শতাব্দী রায় প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, “অভিষেক সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে, যাক না…সময় বলবে, আইন বলবে, নিয়ম বলবে। আমরাও সেই অপেক্ষা করছি।”