TMC: চন্দ্রিমার চিঠির পাল্টা হোয়াটস মেসেজের হিস্ট্রি! ঋতশিবিরকে আজ কমিশনে টেক্কা দিতে মমতাপন্থীদের কী হাতিয়ার?

TMC Name-Symbol Row: কালীঘাট-পন্থী তৃণমূল শিবিরের দাবি, ২২ জুন ঋতব্রত শিবিরের বিশেষ অধিবেশনের আগেই ২০ জুন কালীঘাটে বৈঠক করে সাংগঠনিক রদবদল করেছিলেন মমতা। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের অথরাইজড্ সিগনেটরি  এবং নির্বাচন কমিশনের অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

TMC: চন্দ্রিমার চিঠির পাল্টা হোয়াটস মেসেজের হিস্ট্রি! ঋতশিবিরকে আজ কমিশনে টেক্কা দিতে মমতাপন্থীদের কী হাতিয়ার?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Sep 16, 2026 | 10:05 AM

কলকাতা: কমিশনে আজ দুই তৃণমূলের নথির যুদ্ধ। ২০ জুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের কার্যালয়ে সাংগঠনিক রদবদলের বৈঠক কি আদৌ হয়েছিল? মান্যতা পাবে আলিপুর আদালতের রায়? দলের চেয়ারপারসন নির্বাচন নিয়ে কী বলা আছে তৃণমূলের সংবিধানে? মূলত এই তিন প্রশ্নের আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে তৃণমূলের নাম প্রতীকের ভবিষ্যৎ।

কালীঘাট-পন্থী তৃণমূল শিবিরের দাবি, ২২ জুন ঋতব্রত শিবিরের বিশেষ অধিবেশনের আগেই ২০ জুন কালীঘাটে বৈঠক করে সাংগঠনিক রদবদল করেছিলেন মমতা।
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের অথরাইজড্ সিগনেটরি  এবং নির্বাচন কমিশনের অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে,  ১২ সেপ্টেম্বর চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, ২০ জুন এই ধরনের কোনও বৈঠক হয়নি। তিনি তখন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতির পদে ছিলেন। এই বৈঠকের কোনও আমন্ত্রণ তাঁর কাছে আসেনি। পাল্টা হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজকে হাতিয়ার করছে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল। দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের কাছে ওই দিনের বৈঠকের যে আমন্ত্রণ মেসেজ গিয়েছে, তার কপি পেশ করা হচ্ছে। অন্যদিকে আলিপুর আদালতের রায়কে হাতিয়ার করছে ঋতব্রতরা। যেখানে বলা হচ্ছে, অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর চেয়ারপার্সন হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মুহূর্তে কোনও কর্তৃত্ব নেই। ২২ জুন অধিবেশনের পর মমতাকে অপসারণ করা হয়েছে।

সেক্ষেত্রে কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের বক্তব্য, জাতীয় নির্বাচন কমিশন স্বতন্ত্র সাংবিধানিক সংস্থা। আদালতের রায় তাদের বিচার্য নয়। কমিশন স্বতন্ত্রভাবে রায় দেবে। যদি আদালতের রায় কে মান্যতা দিতে হয়, তাহলে এই বিতর্কের অবসান কোর্টেই হোক। তখন আর কমিশনের প্রয়োজন থাকবে না।

এছাড়াও, কালীঘাট-পন্থী তৃণমূলের দাবি, তৃণমূলের সংবিধানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে পাঁচ বছর অন্তর চেয়ারপার্সন নির্বাচন হবে। শেষ নির্বাচন হয়েছে ২০২২ এ। পরবর্তী নির্বাচন ২০২৭ এ। ফলত, ঋতব্রতদের চলতি বছরের ২২ জুনের অধিবেশন অবৈধ। এটাই মমতাপন্থী তৃণমূলের তরফে তুলে ধরা হবে। তথ্য পাল্টা তথ্য জমা পড়তে চলছে, তার ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশন ১৭ তারিখ শুনানিতে দু’পক্ষকে ডাকে কিনা, সেদিকে নজর থাকবে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us