
নয়া দিল্লি: এক পা এগিয়ে আবার দু’পা পিছিয়ে এলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের বিরুদ্ধে মামলানিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়-মহুয়া মৈত্ররা। আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলা দায়ের করা হবে কি না তাই নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে কালীঘাটে।
জানা যাচ্ছে, শুক্রবার সকালে কল্যাণ-মহুয়া দীর্ঘক্ষণ আইনজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, বৈঠকে যে বিষয়গুলো উঠে এসেছে,
প্রথমত, এখন মামলা দায়ের হলেও রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে কমিশনের এই অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়া ঠেকানো সম্ভব নয়। ফলে এই উপনির্বাচনের আগে এই মামলা কোনও কার্যকরী ফল আনবে না।
দ্বিতীয়ত, কমিশনের অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে এখনই মামলা দায়ের করলে ফের কমিশনের কাছেই ফেরাতে পারে সুপ্রিমকোর্ট। কারণ কমিশন এখনও চূড়ান্ত ফয়সলা করেনি। সেক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট যদি কমিশনের কাছেই ফেরায়, তাহলে মমতা-শিবিরের মুখ পুড়তে পারে।
তৃতীয়ত, সুপ্রিমকোর্ট মামলা যদিও গ্রহণ করে, তাহলে আসল নাম ও প্রতীক কার সেই ফয়সলাও অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঝুলে যেতে পারে। তখন এই বিষয়টি দীর্ঘদিনের জন্য ঝুলে থাকবে, সমস্যায় পড়তে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। কারণ জোড়া ফুল প্রতীকটি অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্যবহার করা বন্ধ হয়ে যাবে।
দীর্ঘক্ষণ আইনজীবীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্র। ইতিমধ্যেই আইনজীবীর বক্তব্য পাঠানো হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তিনিই। বিকাল চারটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংবাদিক বৈঠক করবেন। মনে করা হচ্ছে, সেই বৈঠকেই এই সংক্রান্ত উত্তর মিলতে পারে।