
কলকাতা: দফায় দফায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Banerjee)। দফায় দফায় সাংসদদের সঙ্গে কথা বলছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবও। এখনও পর্যন্ত সুরাহা তো হয়নি, উল্টে তিন সংখ্যালঘু সাংসদকে ঘিরে জটিলতা বেড়েছে। এরই মধ্যেই আরও দুই সমস্যা তৈরি হয়েছে এনসিপিআই (NCPI)-এর অন্দরে। সূত্রের খবর, এক মহিলা বর্ষীয়ান সাংসদের ব্যবহারে অসন্তুষ্ট বাকিরা। এছাড়াও ২ সাংসদকে নিয়ে বেড়েছে সন্দেহ।
সম্প্রতি ওই ২০ জন সাংসদের ওই দলের অন্দর থেকে যে খবর আসছে, তাতে জানা যাচ্ছে, এক বর্ষীয়ান মহিলা সাংসদের ব্যবহারে অসন্তোষ বাড়ছে এনসিপিআই-এর অন্দরে। সেই সঙ্গে আরও দুই সাংসদকে ঘিরে তৈরি হয়েছে সন্দেহ।
সূত্রের খবর, এক নবীন সাংসদ (প্রথমবারের সাংসদ) ও এক বর্ষীয়ান সাংসদকে ঘিরে অভিযোগ উঠেছে, তাঁরা এনসিপিআই-এর খবর কালীঘাট-তৃণমূলের হাতে পৌঁছে দিচ্ছেন। বৈঠকে যা যা আলোচনা হচ্ছে, সেই সব খবরই নাকি পৌঁছে যাচ্ছে মমতা-শিবিরের কাছে।
এদিকে, তিন সংখ্যালঘু সাংসদকে ঘিরে আগেই জটিলতা তৈরি হয়েছে। শতাব্দী রায় বারবার ‘একসঙ্গে আছি’ বললেও, খলিলুর রহমান, ইউসুফ পাঠান, আবু তাহেরকে নিয়ে জটিলতা প্রকট হয়ে উঠেছে। এনডিএ-র বৈঠকে যাননি ওই তিনজন। আবু তাহের প্রকাশ্য়ে বলেছেন, ‘বিজেপির সঙ্গে মিশে যাওয়া সম্ভব নয়।’ একই কথা বলেছেন আর এক সাংসদ জগদীশ বসুনিয়া। তিনিও দাবি করেছেন, তাঁদের কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোটার আছেন। তাঁদের পক্ষে বিজেপিতে যোগ দেওয়া সম্ভব নয়।