
নয়া দিল্লি: দেশের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে অজানা সম্পদ! সম্প্রতি লাক্ষাদ্বীপ সফর করে এসে সেখানকার সাদা বালির সৈকত থেকে সমুদ্রের তলদেশের ছবি ও ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যা ভ্রমণপিপাসুদের মন কেড়ে নিয়েছে। নির্জন সৈকত ও সামুদ্রিক ক্রীড়ার মজা নিতে যে বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজন নেই, সেটা লাক্ষাদ্বীপে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ও ভিডিয়ো থেকেই স্পষ্ট। এরপরই লাক্ষাদ্বীপের পর্যটনের প্রসারে নানাভাবে এগিয়ে আসতে দেখা যায় ব্যবসায়ী, সেলিব্রিটি, ক্রীড়া কিংবদন্তী, বুদ্ধিজীবী-সহ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব থেকে সাধারণ মানুষকেও। দেশীয় পর্যটনের সমর্থনে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের এই সমর্থনের জন্য সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে টুইট করেছেন কেন্দ্রীয় পর্যটনমন্ত্রী জি. কিষাণ রেড্ডি।
টুইটারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি. কিষাণ রেড্ডি অবশ্য বিশেষ কোনও স্থানের নাম উল্লেখ করেননি। তবে তাজমহল, ইন্ডিয়া গেট, রথ থেকে রাজস্থানের উট, ইঞ্জিনচালিত ট্রেন, ট্যাক্সি, অটো, নৌকা সমন্বিত ‘দেখো আপনা দেশ’ প্রকল্পের ছবি পোস্ট করে দেশের ঐতিহ্য-সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছেন পর্যটনমন্ত্রী।
এদিন টুইট-পোস্টে কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি আরও লিখেছেন, ভারতের সংস্কৃতি ও অভ্যন্তরীণ পর্যটনের যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, সেটা সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় পরস্পরের মধ্যে আলোচনাতেই স্পষ্ট। যেভাবে ভারতের সংস্কৃতি ও পর্যটনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে, তার জন্য প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। দেশীয় পর্যটনের প্রসারে ‘দেখো আপনা দেশ’ প্রকল্প চালু করেছিল নরেন্দ্র মোদীর সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যে দেশীয় পর্যটনের প্রসারে বিশেষ জোর দিয়েছেন, তার উল্লেখ করে টুইট-পোস্টে জি কিষাণ রেড্ডি লিখেছেন, ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিককে অন্তত ১৫টি গন্তব্যে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। যদিও মহামারী এসে পড়ায় সেই পরিকল্পনা অনেকটা বানচাল হয়েছে। তবে আবার অনেকে ‘দেখো আপনা দেশ’-এর যাত্রায় সামিল হবেন বলে আশাপ্রকাশ করেছেন জি কিষাণ রেড্ডি।