
কলকাতা : অনেক সময় আমরা আন্তর্জাতিক ভ্রমণের পরিকল্পনা করেও শেষ মুহূর্তে ভিসা সংক্রান্ত সমস্যাতে পড়ি। কারণ, আগে যে দেশে বিমানবন্দরে পৌঁছে ভিসা পাওয়া যেত, ২০২৬ সালে সেই নিয়ম বদলে গিয়ে ই-ভিসা, ETA বা অন্য কোনও অনলাইন অনুমোদন বাধ্যতামূলক হতে পারে। ২০২৬ সালের নয়া নিয়ম অনুযায়ী, ভারতীয়দের জন্য ৯টি দেশে ভিসার নিয়ম বদল হয়েছে।
কোন কোন দেশে কী বদলেছে?
লাওস, কাতার, ইরানে ভারতীয়দের জন্য ভিসা অন অ্যারাইভালের পরিবর্তে এখন ই-ভিসা চালু হয়েছে। অর্থাৎ, ঘুরতে যাওয়ার আগে অনলাইনে আবেদন করে অনুমোদন নিতে হবে। শ্রীলঙ্কাতেও নিয়ম বদল হয়েছে। ২০২৫ সালে যে সার্ভিস ই-ভিসা হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিল, তা বদলে Electronic Travel Authorisation বা ETA হয়েছে। তাই ভ্রমন করার আগে পারমিশন দরকার। চিলি, ঘানা, ভেনেজুয়েলা আবার অনলাইন কেন্দ্রিক। আগে ভারতীয়দের জন্য ভিসা থাকলেও এখন ই-ভিসার মাধ্যমে অ্যাপ্লাই করতে হবে। কেপ ভার্দেতে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৯৬টি দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা অন অ্যারাইভাল বাতিল করেছে। এই তালিকায় নাম আছে ভারতেরও। নিকারাগুয়াতে আবার নিয়ম বদলিয়েছে ২০২৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে। এখন অনলাইনে ইলেকট্রনিক ভিসার জন্য আবেদন করা অথবা ইমেলের মাধ্যমে নিকারাগুয়ার অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে ফর্ম জমা দেওয়া যাবে। বিমানবন্দরে পৌঁছে ভিসা নেওয়ার সুযোগ আর নেই।
ঘুরতে যাওয়ার আগে কী কী দেখবেন?
ভিসা-অন-অ্যারাইভাল ও ই-ভিসা এক জিনিস নয়। ভিসা-অন-অ্যারাইভালের ক্ষেত্রে গন্তব্যে পৌঁছে আবেদন করা যায়, কিন্তু ই-ভিসার ক্ষেত্রে সাধারণত ভ্রমণের আগেই আবেদন করে পারমিশন নিতে হয়। তাই পুরোনো ট্রাভেল গাইড বা সোশাল মিডিয়ার তথ্যের উপর নির্ভর না হয়ে সেই দেশের সরকারি ইমিগ্রেশন পোর্টাল, দূতাবাস বা কনস্যুলেটের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ নিয়ম দেখে নেওয়া জরুরি। পাসপোর্টের মেয়াদ, ভিসা প্রসেসিংয়ের সময়, আবেদন ফি, পারমিশনের মেয়াদ – সব আগে থেকে যাচাই করে নিন। বিশেষ করে নন-রিফান্ডেবল বিমান টিকিট বা হোটেল বুক করার আগে ভিসার নিয়ম নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।