
কলকাতা: রাজ্য জুড়ে খাদ্য সুরক্ষা অভিযান চালাচ্ছে খাদ্য দফতর (Food Department)। ছোট দোকান থেকে, বড় মাঝারি দোকান। আবার নামীদামি জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ, নজরদারি থেকে বাদ পড়ছে না কোনওকিছুই। কোথাও মিলেছে পচা মাংস, কোথাও খাবারে মেশানো হচ্ছিল বিষ রং। কোনও রেস্তোরাঁর পনিরে পেঁচিয়ে চুল। কোনও মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। তাই পুজোর আগে বড় পদক্ষেপ করা হল। আগেই কলকাতার ৪০টি রেস্তোরাঁর লাইসেন্স বাতিল হয়েছিল। আরও ১৪ টি রেস্তোরাঁ, মিষ্টির দোকান এবং হোটেলের লাইসেন্স বাতিল করল কলকাতা পুরসভা। শুধু কলকাতাতেই গতকাল (৯ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত বাতিল হল ৫৪ টি লাইসেন্স।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই বলেছিলেন, সাধারণ মানুষ কোনও রকম ভেজাল খাবে না। তারপরই নির্দেশ দেওয়া হয় পদক্ষেপ। আর মুখ্যমন্ত্রী সেই নির্দেশ পেয়ে কলকাতা থেকে জেলা, সব জায়গায় পদক্ষেপ শুরু করে কলকাতা পুরসভা। তখনই দেখা যায় রেস্তোরাঁর রান্নাঘরের হাল। কোথাও দেখা গেল জমানো খাবার তার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে, কোথাও আবার একেবারে ঢেলে দেওয়া হচ্ছে রং। আর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার তো কোনও বালাই নেই। তবে শুধু খাবারে ভেজাল আছে কি না সেই বিষয়টি নয়, পাশাপাশি হোটেলগুলিও খতিয়ে দেখা হয়।
পুরসভার দেওয়া তথ্য বলেছে লাইসেন্স বাতিলের তালিকায় রয়েছে একাধিক নামী রেস্তোরাঁ। যেমন- আরসালান, সিমলা বিরিয়ানি, করিমস, নিজাম। এরপর গতকাল যে যে রেস্তোরাঁর লাইসেন্স বাতিল হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে- M/S Mist and Morels, শক্তি মিষ্টান্ন ভান্ডার, শম্ভু অয়েল মিল, সোফিয়া হোটেল, SS এন্টারপ্রাইজ, দুর্গাপ্রসাদ চৌরাশিয়া, গিরিশ চন্দ্র দে, মিঠাই ভান্ডার, সাগর ফুট, মনোজ কুমার শাহ।