
প্রদীপ্তকান্তি ঘোষ: সই জালিয়াতিকাণ্ডের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা চেয়ে চিঠি অভিষেকের। এটা এই নিয়ে স্পিকারকে লেখা দ্বিতীয় চিঠি। প্রথম চিঠি পাওয়ার পরই স্পিকার স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, এইভাবে কোনও দলের নেতা বিরোধী দলনেতা চেয়ে চিঠি দিতে পারেন না। পরিষদীয় দলের নীতি, সংশ্লিষ্ট দল তার বিধায়কদের নিয়ে একটা বৈঠক করবেন। সেই বৈঠকে বিধায়করা বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত করবেন। দলনেতা নির্বাচনের মিনিটস অর্থাৎ আলোচনার সূচি লিখিত হবে। সেখানে বাকি বিধায়কদের সই থাকবে। সেটি বিধানসভায় জমা দিতে হবে। কিন্তু সেখান থেকেই বিভ্রান্তির সূত্রপাত।
মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বিতীয় চিঠি লেখেন। সেখানেও তিনি একই আবেদন করেছেন, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসাবে চেয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, অসীমা পাত্রকে উপ বিরোধী দলনেতা করার আর্জি জানিয়েছেন।
সই কাণ্ডের জল অনেক দূর এগিয়েছে। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে সরব হওয়ায় তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। সূত্রের খবর, তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ জারি করেছেন ৫০ বিধায়ক। তৃণমূলের অন্দরেই সমান্তরাল একটি অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি আবার ৩ তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা নিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় ও অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা। এই তিন বিধায়ককে আদালতে এসে বিচারকের সামনে হাতের লেখার নমুনা দিতে হবে। সই করতে হবে। সিআইডি-র নিজস্ব হ্যান্ডরাইটিং এক্সপার্ট রয়েছেন, নমুনা মিলিয়ে দেওয়া হবে, সই আদৌ মিলছে কিনা।