
কলকাতা: যাদবপুরে এবিভিপি ও এসএফআই-এর সংঘর্ষের রেশ গড়িয়েছে অনেক দূর। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে গেরুয়া সম্মান যাত্রার আয়োজন করা হয়। যোগ দিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নতুন বিল পেশ করতে গিয়েও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) অধ্যাপকদের একাংশকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এবার সেই যাদবপুরের নিয়োগ নিয়ে উঠল সিবিআই তদন্তের দাবি। বৃহস্পতিবার তদন্তের দাবি জানিয়ে উপাচার্যকে চিঠি দিল সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ অধ্যাপক সংগঠন অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ (ABRSM)।
মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। নিয়োগে প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা যাচাই করা হয় কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলে দাবি ABRSM-এর।
ডেপুটি রেজিস্ট্রার-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে। পাশাপাশি, FET-এর সেক্রেটারি পদে মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট চলাকালীন কীভাবে ইন্টারভিউ হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ওই সংগঠন। তাঁদের অভিযোগ, যাদবপুরের একাধিক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে পক্ষপাত, স্বজনপোষণ, প্রভাব খাটানো ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সেগুলি সব তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
এর আগে ১৫ মে ও ১২ জুন পরপর দুচো চিঠি দিয়েও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল বলে দাবি এবিআরএসএমের। বৃহস্পতিবার, যেদিন বিধানসভায় ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ পেশ করা হয়েছে, সেদিনই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে ফের CID অথবা CBI অথবা নিরপেক্ষ তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (JUTA)-র কথা বৃহস্পতিবার বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। জুটার সদস্যদের অতীত ও বর্তমান ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের সমস্ত ইতিহাস বের করা হবে।’ এরই মধ্যে উপাচার্যের কাছে গেল চিঠি।